আগরতলা: কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বর্তমান প্রশাসন কৃষক, দরিদ্র, যুবসমাজ ও মহিলাদের উন্নয়নে কাজ করছে, যাতে “এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত”এর ভাবনায় ভারতকে বিশ্বের অন্যতম সেরা দেশ হিসেবে গড়ে তোলা যায়।আজ “খেত বাঁচাও অভিযান” কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশালগড়ের কে কে নগরের মধুমালা এসবি স্কুলে আয়োজিত একদিনের জেলা পর্যায়ের প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ক কর্মশালায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথা বলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতন লাল নাথ।
তিনি বলেন সবকিছুই প্রকৃতি ও পরিবেশ থেকে আসে। প্রকৃতি ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি না। আমাদের অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি; তাই কৃষির উন্নয়ন ছাড়া ভারতের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গ্রাম ও কৃষকদের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভারত এখন চাল ও গম উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী টানা ৪,৪০৮ দিন, অর্থাৎ ১২ বছর সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জনগণের কল্যাণে কাজ করছেন, এবং সেই কারণেই কেন্দ্র ও রাজ্যের মিলিতভাবে ২৮৩টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।
কৃষি ক্ষেত্রে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি, ফসল বীমা যোজনা, কুসুম প্রকল্প, সয়েল হেলথ কার্ড ইত্যাদি; পাশাপাশি আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং আরও অনেক প্রকল্প রয়েছে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, আগের বামফ্রন্ট সরকারের সময় ৭২ হাজার ঘর প্রদান করা হয়েছিল, বর্তমানে ৪ লক্ষাধিক ঘর দেওয়া হয়েছে এবং আরও ২.৫ লক্ষ ঘর প্রদান করা হবে। এছাড়া ৬.৪৮ লক্ষ বিনামূল্যে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে আগের সরকারের সময় মাত্র ২৫ হাজার সংযোগ দেওয়া হয়েছিল।তিনি বলেন আমরা বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছি। আগে ভারত চাল ও গম আমদানি করত, এখন প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে ভারত অন্যান্য দেশে চাল রপ্তানি করছে।
তিনি চান ভারতকে একটি খাদ্য শস্য ভান্ডার ও রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে। এই কৃতিত্ব কৃষক ও প্রধানমন্ত্রী মোদীর। তাঁর লক্ষ্য হলো কৃষক, দরিদ্র, যুব ও নারীদের উন্নয়ন ঘটিয়ে ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।”
অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে ভারত বিশ্বের ১১তম অর্থনীতিতে ছিল, বর্তমানে ৪র্থ স্থানে উঠে এসেছে।অনুষ্ঠানে বিধায়ক সুশান্ত দেব সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
