আগরতলা।। মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন অনেক সময় অঙ্গনারী ওয়ার্কার ও সহায়িকারা ৮ মাস ১০ মাস ধরে তারা বেতন পাচ্ছে না বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। কিন্তু তা অনুসন্ধান করে দেখা যায় সেটা সঠিক নয়।
তারপরও যদি এমন কোন ঘটনা ঘটে থাকে টিংকু রায় জানান তাহলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দপ্তরে দাখিল করা হোক অবশ্যই দপ্তর তাদের এই অভিযোগ খতিয়ে দেখে তা সমাধান করার চেষ্টা করবে। তবে এই অর্থবছরে অঙ্গনারী ওয়ার্কার এবং হেল্পার সহ সামাজিক ভাতার ক্ষেত্রেও কিছুটা সমস্যা হয়েছে কারণ পদ্ধতিগত কিছু পরিবর্তন হয়েছে।। পূর্বে অঙ্গনারী ওয়ারকার ও হেলপারদের ৫০ শতাংশ বেতনের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার একসঙ্গে রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিত।
কিন্তু বর্তমানে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে ওই টাকা প্রদান করা হচ্ছে। তাতে করে রাজ্য সরকারের ৫০ শতাংশ অর্থ রাশি মিলকরণ করে তাদের বেতন প্রদানে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়। যাইহোক তারপরও এপ্রিল ও মে মাসের টাকা জুন মাসে প্রদান করা হয়েছে, জুন জুলাই এর টাকা আগস্ট মাসে মধ্যেই প্রদান করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অন্যদিকে তিনি জানান যে অঙ্গনারী ওয়ার্কার হেলপারদের আরেকটি দাবি হচ্ছে গ্র্যাচুইটি প্রদান। সে ক্ষেত্রে সরকারও চিন্তাভাবনা করছে কিন্তু সেখানে সরকারের আর্থিক স্বচ্ছলতা অনেকটা নির্ভর করে গ্রাচুইটি প্রদানের ক্ষেত্রে।
বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে মন্ত্রী টিংকু ড়ায় জানান ২০১৬ সালে অঙ্গনারী ওয়ার্কার দের বেতন ছিল ৭৫৯০ টাকা বর্তমান সরকার আসার পর আট বছরে তাদের বেতন বৃদ্ধি হয়েছে ২৮৫৬ টাকা বর্তমানে তারা ১০ হাজার ৪৪৬ টাকা পাচ্ছেন। তিনি বলেন যদিও ওই বেতন খুব বেশি নয় তবু বর্তমান সরকার তাদের কথা চিন্তা করে এই বেতন বৃদ্ধি করেছেন। মন্ত্রী টিংকু রায় জানান বেতন আরো কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় তার জন্য সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
তবে তার জন্য আন্দোলন করতে হবে না আন্দোলন না করলেও তাদের দায় দাবি গুলি পূরণের জন্য সরকার আগ্রহী। তিনি বলেন শতাধিক অঙ্গনারী কর্মী, কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের মতাদর্শী তাই তারা সরকারকে চাপে রাখার জন্য এই ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রতিপালন করছে। মূলত সরকার সবকা সাথ সবকা বিকাশের মার্গ ধারায় সকলের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন তাদের দাবি অনুসারে তাদের সারি কেনার জন্য পুজোর সময় সরাসরি তাদের ব্যাংকে টাকা প্রদান করা হচ্ছে।
পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করে বলেন প্রতিটি অঙ্গনারীতে সরকার শিশুদের খাদ্য এবং গর্ভবতী মহিলাদের বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী উপকরণ প্রদান করে থাকে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং সহায়িকা দের দায়িত্ব হচ্ছে তা নির্দিষ্টভাবে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু দেখা যায় এমন অনেক অঙ্গনারী কেন্দ্র রয়েছে যেখানে মাসের পর মাস এই সমস্ত খাদ্য সামগ্রী গুলি প্রদান করা হচ্ছে না।
মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন তাদের দাবিগুলির সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বারবার আবেদন জানানো হচ্ছে। অবশ্যই কিছু না কিছু ভালো দিক এর মধ্যেই বেরিয়ে আসতে পারে।
