আগরতলা।। পঞ্জিকা অনুসারে প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পালিত হয় রাধাষ্টমী। কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর পর রাধাষ্টমীও দেশজুড়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। রাজ্যেও বিভিন্ন মন্দিরে এদিন বিশেষ পূজার্চনা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাধাষ্টমী উপলক্ষে আগরতলার ইসকন মন্দিরেও আয়োজন করা হয় বিশেষ পূজার্চনার। সকাল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। ভক্তরা ভক্তিভরে শ্রী রাধার আরাধনা করেন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এদিন ইসকন মন্দিরে শ্রী রাধার পূজার্চনায় অংশ নেন সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, পশ্চিম ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল সহ অন্যান্যরা।
হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস ও বৈষ্ণব ভাবধারায় শ্রী রাধার সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভক্তদের বিশ্বাস, রাধা ও কৃষ্ণ পরস্পরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই কৃষ্ণের নাম উচ্চারণের ক্ষেত্রেও ‘রাধা-কৃষ্ণ’ নামটি বিশেষভাবে প্রচলিত।
রাধাষ্টমীকে ঘিরে উপবাস, পূজার্চনা ও প্রার্থনার মাধ্যমে ভক্তরা শ্রী রাধার আশীর্বাদ কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, রাধাষ্টমীর ব্রত ও পূজার মাধ্যমে সংসারে সুখ-শান্তি ও দাম্পত্য জীবনে মঙ্গল লাভ হয়।
রাধাষ্টমী উপলক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন মন্দিরেও দিনভর ছিল বিশেষ আয়োজন। ভক্তদের উপস্থিতি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে মন্দির চত্বর। শ্রী রাধার আরাধনায় এদিন ভক্তদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
