আগরতলা।।রাজ্যের বিধানসভায় নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বিলকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ।

বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, নারীদের ক্ষমতায়ন শুধুমাত্র একটি স্লোগান নয়, বরং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বিল সেই দিকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।তিনি আরও উল্লেখ করেন, সমাজের সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, তার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন, নারীদের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো সময়ের দাবি। এই বিল পাশ হলে তা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং নারীদের স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।এদিনের আলোচনায় অন্যান্য বিধায়করা-ও অংশগ্রহণ করেন এবং বিলটির বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত প্রদান করেন।

তবে সুদীপ রায় বর্মনের বক্তব্য বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়, কারণ তিনি নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিকে আরও বাস্তবমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরেন।বর্তমান সময়ে বিজেপি পরিচালিত সরকার যে নারী শক্তি বন্ধন অধীনিয়ম বিল নিয়ে বাজার গরম করছে এটা আসলে বিজেপির একটা রাজনৈতিক কোট চাল। তিনি দাবি করেন ২০২৩ সালে সংসদের উচ্চকক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ উভয় কক্ষেই ধনী ভোটে নারীর সংরক্ষণ বিল পাশ করা হলেও দেশের সরকার কার্যকর করছে না। এর বদলে ডিলিমেন্টেসনের অংশ হিসেবে নারী শক্তিবন্ধন অধীনিয়ম বিল কার্যকরী করে প্রকৃত পক্ষে আগামী পঞ্চাশ বছর কোন না কোন ভাবে শাসন ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে বিজেপি দল এমন অভিযোগ করেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।

তিনি বলেন ২০২৩ সালের সেপেম্বরে এই নারী সংরক্ষণ বিল সংসদের উভয় কক্ষে পাস হয়ে গেলেও তার নোটিফিকেশন জারি হয়েছে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ সালে। এতে করেই বুঝা যায় বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার নারীদের প্রতি কতটুকু আন্তরিক। তা না হলে বিল পাস হওয়ার পরেই সরকার তা কার্যকর করতে পারত।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *