আগরতলা।। ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের কর্মী মনীষা দাসের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। রবিবার মৃতার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিপিআইএম নেতা সমর চক্রবর্তী এবং ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব।
পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলার পর জিতেন্দ্র চৌধুরী দাবি করেন, ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু বা আত্মহত্যা বলে সহজে মেনে নেওয়ার মতো নয়। পরিবারের দেখানো ছবি, ভিডিও এবং ঘটনাস্থলের বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।সিপিআইএমের অভিযোগ, কর্মরত অবস্থায় নির্ধারিত সময়ের পরও মৃতাকে কাজ করতে বাধ্য করা হতো।
এমনকি অসুস্থতার মধ্যেও কাজের চাপ ছিল। যে ঘরে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই ঘরের পরিস্থিতি, ফ্যানের উচ্চতা, ঘরের ভেতরে একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতির চিহ্ন এবং ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা।
জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট সামনে আসার আগেই পুলিশের পক্ষ থেকে আত্মহত্যার তত্ত্ব প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি একজন যুবককে গ্রেপ্তার করে প্রেমঘটিত ঘটনার ইঙ্গিত দেওয়াতেও তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজের কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় SIT গঠন, বিচারবিভাগীয় তদন্ত এবং পরিবারের জন্য উপযুক্ত সহায়তার দাবিতে সরব হয়েছে সিপিআইএম। এখন নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
