আগরতলা।। এই সময়ের মধ্যে গোটা দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নারী শক্তি বন্ধন অধীনিয়ম বিল। এরই মধ্যে ভোটাভুটিতে এই বিল পাস অধরা রয়ে যায়।
আজ ত্রিপুরা বিধানসভায় সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে একদিনের এক বিশেষ অধিবেশন আয়োজিত হয়। এই আয়োজনে বিভিন্ন স্তরের বিধানসভার সদস্যরা সংশ্লিষ্ট বিলের পক্ষে নিজেদের অভিমত প্রকাশ করেন। নারী শক্তি বন্ধন অধীনিয়ম বিল নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় এই বিলের স্বপক্ষে দাবী করেন এই বিল পাশ হয়ে গেলে গোটা দেশ জুড়ে প্রকৃতপক্ষে নারীরা নতুন করে অধিকার অর্জন করবে।
পাশাপাশি কল্যাণী রায় বিধানসভায় দাবি করেন ২০১১ সালের পর থেকে এই দেশে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে নারী শক্তির জাগরণের জন্য কাজ চলছে। কল্যাণী রায় অভিযোগ করেন দীর্ঘ কংগ্রেস আমলে নারীদের অধিকার নিয়ে কোন কিছু ভাবা হয়নি।।
দৃষ্টান্ত তুলে ধরতে গিয়ে কল্যাণী সাহা রায় উল্লেখ করেন ভারতবর্ষের একাধিক রাজ্যে বিজেপি শাসনে মুখ্যমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মহিলাদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে, তবে দীর্ঘ কংগ্রেস জমানায় একমাত্র দিল্লি ছাড়া অন্য কোন জায়গাতে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ছিল না বলে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেন বিজেপি দলের এই নেত্রী।
এই সময়ের মধ্যে দেশ যেভাবে পিছিয়ে পড়া অংশের প্রতিনিধিকে দেশের রাষ্ট্রপতির মত গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করেছেন এটা প্রকৃতপক্ষে নারী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শন বলে অভিমত প্রকাশ করেন কল্যাণী সাহা রায়। পাশাপাশি তিনি যেভাবে বিরোধীরা সম্মিলিতভাবে নারী শক্তি বন্ধন অধীনিয়ম বিল নিয়ে বাধা তৈরি করেছে সেই বিষয়টাকে নিন্দা জানিয়ে দাবি করেন এর মাধ্যমেই প্রমাণিত বিরোধীরা প্রকৃতপক্ষে নারীদের কোন দৃষ্টিতে দেখেন।
