আগরতলা।। উচ্চ শিক্ষার ভবিষ্যৎ নির্মাণের একান্ত প্রয়াসে আজ রাজ্য অতিথিশালায় উচ্চ শিক্ষা সংলাপ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মন আলোচনা করেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা।
মন্ত্রী কিশোর বর্মন বলেন আজ আমরা ইতিহাসের এক সাক্ষী হতে চলেছি। উচ্চ শিক্ষার ইতিহাসে প্রথম প্রয়াস ছাত্রদের সঙ্গে মতবিনিময়। উচ্চ শিক্ষার সার্বিক বিকাশ সমস্যা কি আছে এবং তার সমাধান কিভাবে হতে পারে এই সংলাপের মাধ্যমে মুক্ত মনের আলোচনায় যা উঠে আসবে তা আগামী দিন উচ্চশিক্ষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
তিনি বলেন আজকের এই সংলাপ বা সভা একটা সরকারি আয়োজনই শুধু নয় এটি একটি মুক্ত আলোচনার মঞ্চ। এখানে সরকার বলবে শিক্ষার্থীরা শুনবে আবার সেখানে শিক্ষার্থীরা বলবে সরকার তা মনোযোগ দিয়ে শুনবে। সরকার এবং শিক্ষার্থীদের আলোচনায় যা উঠে আসবে তা নিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সকলেরই ভূমিকার প্রয়োজন।
তিনি বলেন সবার সহমত ও মুক্ত মনের আলোচনার মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষার প্রকৃত বিকাশ দরকার। সরকারের বিকশিত ভারতের ২০৪৭ সালের স্বপ্ন পূরণের জন্য কলেজগুলিকে বিকশিত করতে হবে। তিনি বলেন উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানে শুধু একটা ডিগ্রি প্রধান কেন্দ্র নয় বরং রাষ্ট্র নির্মাণের কেন্দ্র হয়ে উঠুক। ইতিবাচক শিক্ষার পরিবেশ ব্যবস্থা করা হলো এই সংলাপের উদ্দেশ্য। মন্ত্রী কিশোর বর্মন বলেন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আগামী দিনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে এই ধরনের পরবর্তী আয়োজন হবে। রাজ্যে এডুকেশন হাব বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিয়েছেন মন্ত্রী কিশোর বর্মন।
আগামী পাঁচ বছর ২০৩০ অবধি ত্রিপুরার উচ্চ শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে উচ্চ শিক্ষায় অংশগ্রহণ বা আগমন বাড়াতে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি নিশ্চিত করা, কলেজ ক্যামপাস থেকে আগে জাতীয়তাবাদী কার্যক্রম করা এবং দেশীয় চরিত্র সম্পন্ন করতে হবে।
