আগরতলা।। বর্তমানে রাজ্যের ৮৬.৫০ শতাংশ পরিবার পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে পানীয়জল পাচ্ছেন।
আজ রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক জহর চক্রবর্তী এবং বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের আনা দুটি পৃথক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ড.) মানিক সাহা একথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ৮৪টি পরিবারের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ৪৭০টি পরিবারে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয়জল পৌঁছে গেছে।
তিনি জানান, ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মাসের মধ্যে রাজ্যের গ্রাম পাহাড়ের বিভিন্ন প্রত্যন্ত নাগরিকগণ নিজেদের বাসগৃহে পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিশুদ্ধ পানীয়জল নিয়মিত পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত তিন বছরে রাজ্যের গ্রামীণ এলাকায় নিরাপদ পানীয়জলের সুবিধার আওতায় ১ লক্ষ ৯১ হাজার ১০৬টি পরিবার এসেছে। কতটি গ্রাম শতভাগ স্যানিটেশন কভারেজ অর্জন করেছে এই প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় মোট ১,১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েত / ভিলেজ কমিটি রয়েছে যা ৭৬টি এলজিডি কোডেড রেভিনিউ গ্রামের মধ্যে অবস্থিত। রাজ্যের সবকটি গ্রাম পঞ্চায়েত / ভিলেজ কমিটি শতভাগ স্যানিটেশন কভারেজ অর্জন করেছে।
বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদারের অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অমরুত ২.০ প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত ২১,৪১৩টি পরিবার পানীয়জলের সংযোগ পেয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ বাস্তবায়িত হয়ে গেছে।বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়ের অন্য একটি প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ড.) মানিক সাহা জানান, আগরতলা পুরনিগম এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয়জল সরবরাহের লক্ষ্যে নতুন দুটি ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং কাজের বরাতও দেওয়া হয়েছে।
এই দুটি প্রকল্প হচ্ছে আগরতলার নেতাজি আদর্শ শিক্ষা মন্দিরে দৈনিক ৫৫০ লক্ষ লিটার ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাউন্ড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং কলেজটিলায় দৈনিক ৬১ লক্ষ লিটার ক্ষমতাসম্পন্ন সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট।
এরমধ্যে নেতাজি আদর্শ শিক্ষা মন্দিরের গ্রাউন্ড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজ ২০২৭ সালের জুলাই মাস নাগাদ এবং কলেজটিলার সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের কাজ ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস নাগাদ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
