আগরতলা।। আজ ভোররাতে বড়জলা ছিনাইহানির নিজ বাড়িতে নারী নেত্রী এবংপ্রাক্তন বিধায়িকা গৌরী ভট্টাচার্য শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সিপিআইএমের রাজ্য কমিটি ও জেলা কমিটি।
১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত বড়জলা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন গৌরী ভট্টাচার্য। ত্রিপুরার রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর বিশেষ পরিচয় রয়েছে। তিনিই ছিলেন রাজ্যের প্রথম মহিলা বিধায়িকা।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে কাজ করেছেন এবং রাজ্যের গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।তাঁর প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে সিপিআইএমের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। সিপিআইএমের রাজ্য দপ্তরে আয়োজন করা হয় প্রয়াত গৌরী ভট্টাচার্যের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন পর্বের।
এদিন তাঁর মরদেহ সিপিআইএম রাজ্য দপ্তরে নিয়ে আসা হলে সেখানে উপস্থিত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান দলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, প্রাক্তন বিদ্যুৎ মন্ত্রী মানিক দে, প্রাক্তন সাংসদ শংকর প্রসাদ দত্ত-সহ সিপিআইএমের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব ও কর্মীরা।পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে প্রয়াত নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তাঁরা। তাঁর রাজনৈতিক জীবন, দলের প্রতি অবদান এবং ত্রিপুরার রাজনীতিতে একজন মহিলা বিধায়ক হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন উপস্থিত নেতৃত্বরা।
গৌরী ভট্টাচার্যের প্রয়াণে ত্রিপুরার রাজনৈতিক অঙ্গনে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে শোক প্রকাশ করেন সিপিআইএম নেতৃত্ব। একইসঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তাঁরা।
রাজ্যের প্রথম মহিলা বিধায়িকা হিসেবে গৌরী ভট্টাচার্যের রাজনৈতিক ভূমিকা ত্রিপুরার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন সিপিআইএম নেতৃত্ব।
