আগরতলা ।। অধিবেশনের শুরুতেই একাধিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধীর তীব্র বাকযুদ্ধে সরগরম হয়ে ওঠে বিধানসভা। কিউবার রাষ্ট্রদূতের রাজ্য সফর থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে একে অপরকে নিশানা করেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের বিধায়করা।
বিশেষ করে মন্ত্রী রতনলাল নাথ এবং বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর মধ্যে শুরু হয় তীব্র বাদানুবাদ। রতনলাল নাথ বিরোধী দলনেতাকে উদ্দেশ্য করে চীন ও পাকিস্তানের দালালসহ একাধিক কড়া মন্তব্য করেন।
পাশাপাশি বামপন্থীরা বিদেশি অর্থের জন্য কাজ করতে গিয়ে দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করছে না বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। চলতি মাসের ১৯ তারিখ সিপিআইএম মহারাজা বীর বিক্রমের জন্মদিন পালন না করার বিষয়টিও সামনে এনে প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী।এদিন বিরোধীদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলে সরব হন মন্ত্রী রতনলাল নাথ।
মন্ত্রী রতনলাল নাথের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। রতনলাল নাথের কাছ থেকে শেখার কিছু নেই বলে দাবি করার পাশাপাশি শাসকপক্ষকেও ব্রিটিশের দালাল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, তাঁরা যেহেতু ট্রেজারি বেঞ্চে রয়েছেন, তাই তাঁদের জন্য মাইক সবসময় খোলা থাকে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলের বিধায়করা যখন বিধানসভায় বক্তব্য রাখেন, তখন তাঁদের বক্তব্য যাতে স্পষ্টভাবে শোনা যায়, সেই ব্যবস্থা থাকা উচিত।
বিধানসভায় যে-ই বক্তব্য রাখুন না কেন, তাঁর বক্তব্য যেন পরিষ্কারভাবে সকলের কাছে পৌঁছায়—এমনটাই দাবি করেন বিরোধী দলনেতা।পাল্টা বক্তব্যে শাসকপক্ষের বিরুদ্ধে কী বললেন বিরোধী দলনেতা, শুনুন তাঁর বক্তব্য।
দুই পক্ষের এই তীব্র বাকযুদ্ধের জেরে একসময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভার পরিবেশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অধিবেশন দুপুর ২টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন বিধানসভার অধ্যক্ষ।
