শান্তির বাজার।। নির্বাচনী সন্ত্রাস স্বরজমিনে খতিয়ে দেখিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী।গত ১৭-ই এপ্রিল রাজ্যে স্বশাসিত জেলা পরিষদ আদিবাসী উপজাতি ১০-তম সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়।
এডিসি ২৮-টি আসনের মধ্যে ২৪-টি আসনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেন মথা দল আর ৪-টি আসনে জয়লাভ করেন বিজেপি দল। আর ঐদিনের পর থেকেই রাজ্যের এডিসি ২৮-টি কেন্দ্রে মথা দলের কর্মীরা রাজনৈতিক সন্ত্রাস চালিয়ে শরীক দল তথা দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল এককথায় বিজেপি দলের মন্ডল কার্যালয় থেকে শুরু করে বহু একনিষ্ঠ কর্মীদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগ করে। এখনও বিজেপি দলের বহু কার্যকর্তা এলাকা ছেড়ে অন্যএ অবস্থান করছে।
নির্বাচনের বিজেপি দলের দক্ষিণ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রভারী তথা রাজ্যের মন্ত্রিসভার বর্তমান শাসকদলের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় আজ স্বরজমিনে নির্বাচনী সন্ত্রাস দেখতে আসলেন দক্ষিণ জেলায়। সাথে ছিলেন দক্ষিণ ও গোমতী জেলার জেলা পরিষদের সভাধিপতি, দক্ষিণ জেলার বিজেপি দলের জেলা সভাপতি, ৩৯ মনু ও ৪০ সাব্রুম এই দুই মন্ডলের মন্ডল সভাপতি, মনু- রাজনগরের বিজেপির দুই বিধায়ক, ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রের এমডিসি কংঅজং মগ সহ আরো অন্যান্য নেতৃত্বরা।
আজ দুপুরে প্রথমে ২৭ পূর্ব মুহুরীপুর-ভুরাতলী কেন্দ্রের অন্তর্গত ৩৯ মনু বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে কালী বাজার অগ্নি সংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় খতিয়ে দেখলেন। এরপর দ্বিতীয় ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রের অন্তর্গত ৪০ সাব্রুম বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে ৪৯ নাম্বার বুথে চাতকছড়ি হয়রাম পাড়ার হামক্রাই বাজারের অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় স্বরজমিনে খতিয়ে দেখলেন। ।
এরপর তৃতীয় চালিতা বনকুল এলাকার দুইটি অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় পরিদর্শন করেন। পঞ্চম মনু-বনকুল মহামনি বুদ্ধমন্দির সংলগ্ন টুরিস্ট প্লেজে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চিত্র দেখে শিলাছড়ি অগ্নিসংযোগ হওয়া বিজেপি কার্যালয় ও আক্রান্ত কার্যকর্তাদের দেখতে যান ।
অর্থমন্ত্রী প্রণজিত সিংহ রায় সফর শেষে রাজ্যের মধ্যে সবচাইতে ২৮ শিলাছড়ি-মনু বনকুল কেন্দ্রে রাজনৈতিক সন্ত্রাস অধিক পরিমাণ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
