আগরতলা: আজকের মন কি বাত কার্যক্রমে নেশামুক্ত ভারত গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ত্রিপুরা সরকারও সেই দিশায় কাজ করছে। এর পাশাপাশি আজকের এপিসোডে মহানায়ক উত্তম কুমার সম্পর্কে কথা বলেছেন তিনি।

                  
আজ আগরতলার মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন কি বাত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আজ আমরা ১৩৭তম মন কি বাত শুনলাম। প্রত্যেক মাসের শেষ রবিবার দিনটির অপেক্ষায় আমরা বসে থাকি যে এবারের এপিসোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি নিয়ে আসবেন। আজকে যেসব বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন সেগুলির মধ্যে কিছু বিষয় মনে দাগ কেটেছে। ডাঃ সাহা বলেন, ইতিহাস জানা থাকলে অনেক কিছু জানা যায়। আমরা অনেকেই ত্রিপুরার ইতিহাস সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানিনা। ত্রিপুরার ইতিহাস সম্পর্কে চর্চার জন্য কেউ এগিয়ে আসলে রাজ্য সরকার অবশ্যই তাদের সহায়তা করবে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজকের এপিসোডে প্রধানমন্ত্রী নেশামুক্ত ভারত গড়ার কথাও বলেছেন। আমরাও নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি। পুলিশ সহ বিভিন্ন নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি নেশাবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে। সময়ের সঙ্গে মানুষ এখন ধীরে ধীরে সচেতন ও সতর্ক হচ্ছেন। নেশার বিরুদ্ধে মানুষ এখন প্রতিবাদ শুরু করে দিয়েছেন। আর সেটার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ শুধু পুলিশ বা নিরাপত্তা এজেন্সি দিয়ে এসব বন্ধ করা যাবে না। যুব সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে নেশামুক্ত ভারত গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বন্দেমাতরম এর ১৫০ বছর পূর্তি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। হর ঘর তিরঙ্গা সম্পর্কেও বললেন। স্ট্রিট ভেন্ডারদের আর্থিকভাবে সহায়তার জন্য পিএম স্বনিধি যোজনার মতো একটা সুন্দর স্কিম এনেছেন তিনি। বিধানসভাতেও এনিয়ে অনেক কথা হয়েছে। যথাযথ স্থানে ভেন্ডার জোন স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই ব্যবস্থাকে কীভাবে আরো শক্তিশালী করা যায় সেই চিন্তাধারা রয়েছে সরকারের। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ভোকাল ফর লোক্যালে গুরুত্ব দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের দিশায় কাজ করছে বর্তমান সরকার। স্বসহায়ক গোষ্ঠীগুলিকে স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজকের এপিসোডে মহানায়ক উত্তম কুমারের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা আমাদের সকলের মন জয় করে নিয়েছে। কারণ বাংলা চলচ্চিত্র জগতে মহানায়ক উত্তম কুমারের বিকল্প নেই। যা আমাদের কাছে একটা নস্টালজিক অনুভূতি।


অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, বড়দোয়ালি মন্ডলের সভাপতি শ্যামল কুমার দেব সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *