আগরতলা।। ডেসটিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ ২২২৬ কে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলো প্রদেশ কংগ্রেস।উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র প্রবীর চক্রবর্তী, এসসি ডিপার্ট্মেন্টের চেয়ারম্যান নিরঞ্জন দাস, যুব কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি নীলকমল সাহা।প্রবীর চক্রবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করে বলেন রাজ্যবাসীকে বোকা বানিয়ে বিশেষ করে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করে ২০২৮ সালে নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার একটি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা হচ্ছে বিজনেস কনক্লেভ ২০২৬।
প্রবীর চক্রবর্তী বলেন দেশ আজ চরম আর্থিক সংকটে জর্জরিত। বিভিন্ন রিপোর্টে তার প্রমাণ। ভুতের বাবার শ্রাদ্ধ করার মতো ডেসটিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভের আয়োজন করা হয়েছে। বিজেপির আমলে দেশে মেলা খেলাই চলছে। আদৌ এতে লাভবান কারা হচ্ছে? প্রশ্ন তুলেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির মুখপাত্র প্রবীর চক্রবর্তী।
বিনিয়োগকারীরা বিজেপির আমলে বহুবার ত্রিপুরায় এসেছিলেন, তার আগেও বিজনেস কনক্লেভ হয়েছিল। তখনও চলছিল জোর প্রচার। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো এসব বিষয় নিয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য নেই সরকারের। রাজ্যের বেকাররা কর্মসংস্থানের জন্য বহির্রাজ্যে, বিদেশে যাচ্ছে। বৈদেশিক ঋণ বাড়ছে। এক অরাজকতা পরিস্থিতি গোটা দেশে, সবক্ষেত্রে দুর্নীতি!
অতীতের সমস্তরকম রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে দাবি করেন প্রবীর চক্রবর্তী।বিজনেস কনক্লেভ হওয়ার গল্প প্রচার চলছে, অথচ সার কারখানা কোথায়? এইমস কোথায়? শিল্পের বিকাশে কত গল্প শুনিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে সবাই। শিল্প কটা বাড়লো, কর্মসংস্থান কতজনের হলো? এসব রাজ্যবাসী জানতে চায়।তাই পূর্বে যে বিজনেস কনক্লেভ হয়েছিল তাতে রাজ্যে কি কি বিষয়ে চুক্তি হয়েছে এবং চুক্তিতে কি রয়েছে এবং তা কতটুকু কার্যকর হয়েছে পাশাপাশি এবারের বিজনেস কনক্লেভে কত টাকার মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এগুলি কিসের ভিত্তিতে হয়েছে এবং কতটা কার্যকর হবে তা সরকারকে জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য কংগ্রেস দাবি করছে বলে জানালেন প্রবীর চক্রবর্তী।
প্রবীর চক্রবর্তী জানান রাজ্যে বর্তমানে শিক্ষকের অভাবে শিক্ষা ব্যবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এমতাবস্থায় পুনরায় নয় হাজার শিক্ষককে সেন্সাসের কাজে নিযুক্ত করার মধ্য দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।
তিনি দাবি করেন কোন শিক্ষক দিয়ে সেন্সাস করানো যাবে না বরং রাজ্যের বেকার শিক্ষিত যুবকদের চুক্তির ভিত্তিতে এই সেন্সাস এর কাজে নিযুক্ত করা হোক। তাতে বেকার যুবকরা ও উপকৃত হবে পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাও সঠিক থাকবে।
