আগরতলা।। আজ বিধানসভা অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে ৪টি বিল গৃহীত হয়। ‘দ্য বোর্ড অব ওপেন স্কুলিং অ্যান্ড এক্সামিনেশন, ত্রিপুরা বিল, ২০২৬ (দ্য ত্রিপুরা বিল নং ১৪ অব ২০২৬)’ বিলটি অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা।

বিলটি উত্থাপন করে তিনি বলেন, প্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে যারা বেরিয়ে গেছে তাদের পড়াশুনার ব্যবস্থা করার জন্যই এই বিল আনা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতিতেও এ ধরণের স্কুলের কথা বলা হয়েছে। যারা প্রথাগত শিক্ষা থেকে বেরিয়ে গেছে এই বিল কার্যকরী হওয়ায় পর তাদের সামনে নতুন সুযোগ আসবে। আবার পড়াশুনা করার দরজা খুলে যাবে।

তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীরা যেন কোনও সমস্যা না পড়ে তারজন্য প্রয়োজনীয় রক্ষাকবচও রয়েছে। বিকশিত ভারত এবং বিকশিত ত্রিপুরা গড়তে এই বিলটি সহায়ক হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত ও বিকশিত ত্রিপুরা গড়ার লক্ষ্যে যাতে শিক্ষাক্ষেত্রে কেউ বাদ না যায় সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিলের বিরোধিতা করে আলোচনা করেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়, বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথ। বিলটি ধ্বনিভোটে বিধানসভায় গৃহীত হয়। ‘

শ্রী শ্রী ইউনিভার্সিটি, ত্রিপুরা বিল, ২০২৬ (দ্য ত্রিপুরা বিল নং ১৫ অব ২০২৬)’ এই বিলটিও আজ বিধানসভায় গৃহীত হয়। বিধানসভায় অনুমোদনের জন্য আজ বিলটি উত্থাপন করেন সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষামন্ত্রী টিংকু রায়। এই বিলের উপর আলোচনায় অংশ নেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়, বিধায়ক অশোক চন্দ্র মিত্র, বিধায়ক দীপঙ্কর সেন।

আলোচনার পর বিলটি গৃহীত হয়। ‘দ্য ত্রিপুরা ইজ অব ডুয়িং বিজনেস বিল, ২০২৬ (দ্য ত্রিপুরা বিল নং ১০ অব ২০২৬)’ বিলটি অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করেন শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা। বিরোধী সর্বসম্মতভাবে বিধানসভায় গৃহীত হয়। ‘

দ্য ত্রিপুরা স্টেট গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স (টেন্থ অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৬ (ত্রিপুরা বিল নং ১২ অব ২০২৬)’ বিলটি অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায় রায়। বিলটি সর্বসম্মতভাবে বিধানসভায় গৃহীত হয়। বিলটির বিষয়ে আলোচনা করেন বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *