আগরতলা।। ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী সোমবার আগরতলার অভয়নগরে অবস্থিত গার্লস ইউনিট-২ (সিসিআই), মহিলা আশ্রম সংলগ্ন ‘সক্ষম’ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং নির্মাণাধীন কর্মজীবী মহিলাদের হোস্টেল পরিদর্শন করেন।

এসময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায় এবং দপ্তরের সচিব তপন দাস। পরিদর্শন শেষে সরকারি অতিথিশালায় নারী ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের এক পর্যালোচনা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পর্যালোচনা বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নারী ও শিশু কল্যাণমূলক পরিষেবার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।

তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারি প্রকল্পগুলির সুফল যাতে প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করেন। নারী ও শিশু কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি পরিষেবার মানোন্নয়নের বিষয়েও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

পর্যালোচনা বৈঠক শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনের অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা মন্ত্রী টিংকু রায়। সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন নারী ও শিশু কল্যাণ ে ত্রিপুরা সরকার প্রশংসনীয় কাজ করেছে। যা সারা দেশে একটি মডেল হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। তিনি বলেন নারী ও শিশু কল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্প গুলি যেভাবে রাজ্য সরকার আন্তরিকতার সাথে বাস্তবায়নে কাজ করছে সেটি অন্য রাজ্যের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি বলেন ত্রিপুরার নারী ও শিশু কল্যাণের এই মডেল নিয়ে তিনি দপ্তরের বৈঠক করবেন।

পরবর্তী সময়ে দেশের প্রতিটি রাজ্যে যাতে এই মডেল চালু করা যায় তার ওপর জোর দেওয়া হবে। তিনি বলেন রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি সমাজের অন্তিম পর্যায়ে যাতে পৌঁছে যায় এই লক্ষ্যে যেভাবে কাজ করছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি ভবিষ্যতে ডাবল ইঞ্জিনের সরকার আরো ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্পে শিশু ও নারীদের অন্তর্ভুক্ত করে ভবিষ্যতে তাদের জীবনযাত্রার মান আরো বিকশিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *