আগরতলা।। ত্রিপুরার আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব ‘ হলো। *V/O* :-গড়িয়া পূজা ত্রিপুরার আদিবাসী সম্প্রদায়ের (বিশেষ করে জামাতিয়া ও রিয়াং) অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন উৎসব, যা বৈশাখ মাসের সপ্তমী তিথিতে ৭ দিন ধরে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এটি শান্তি, সমৃদ্ধি ও ভালো ফসলের কামনায় গবাদি পশু ও সম্পদের দেবতা ‘বাবা গড়িয়া’কে উৎসর্গ করে উদযাপিত হয়।
বাঁশের খুঁটি যা দেবতা গড়িয়ার প্রতীক, সেটিকে ফুল, মালা ও পবিত্র সুতো দিয়ে সাজিয়ে পূজা করা হয় । পুজোর মূল উপাদানের মধ্যে রয়েছে চাল, রিচা (বাঁশের তৈরি), মুরগির ছানা, চালের বিয়ার, ওয়াইন এবং ডিম ।ভক্তরা গড়িয়া দেবতার আশীর্বাদ পেতে নাচ-গান ও বলিপ্রথা (মুরগি বলি) পালন করেন। এটি ত্রিপুরার সাংস্কৃতির ঐতিহ্যের প্রতীক।রাজ্যে অনুষ্ঠিত হলো বাবা গড়িয়া পূজা।ত্রিপুরার আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব ‘বাবা গড়িয়া পূজা’ এবারও যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠিত হলো বাবা গড়িয়া উৎসব পাশাপাশি রাজধানী আগরতলাও বেশ কয়েকটি জায়গায় এই উৎসব উদযাপন হয় ।বাবা গড়িয়াকে স্থানীয়ভাবে সমৃদ্ধি, ফসল ও গৃহস্থের কল্যাণের দেবতা হিসেবে মানা হয়, তার উদ্দেশ্যে এই পূজার আয়োজন করা হয়।
সাধারণত চৈত্র সংক্রান্তির পর সপ্তম দিনে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয় এবং সাত দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার পালিত হয়।বাবা গড়িয়ার কাছে দেশ রাজ্য ও সমাজের কল্যাণের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
