আগরতলা: আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিদের জয়েন্ট কমিটির ডাকে শুক্রবার থেকে শুরু হল ৭২ ঘণ্টার ত্রিপুরা বনধ। বনধের প্রথম দিনেই মুখ থুবড়ে পড়ল রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা।শুক্রবার সকাল থেকেই রাজ্যের তিনটি স্থানে পথ অবরোধে নামে আত্মসমর্পণকারীরা।
বড়মুড়ার হাতাইকতর, মোহনপুরের খোয়াই চৌমুহনী এবং বৃগুদাস এলাকায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তারা। পাশাপাশি আসাম-আগরতলা রেলপথেও অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা।ফলে শুক্রবার সকাল থেকেই সড়ক ও রেলপথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আগরতলা থেকে কোনো যাত্রীবাহী গাড়ি জাতীয় সড়কে নামেনি, এমনকি আগরতলা রেলস্টেশন থেকেও কোনো দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়েনি। বড়মুড়ার চন্দ্র সাধুপাড়া এলাকায় জাতীয় সড়কের উপর টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানোয় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ, নিজেদের দাবি আদায়ের নামে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে কিছুদিন পর পরই এই ধরনের পথ অবরোধের কর্মসূচি নিচ্ছে আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিদের কয়েকটি গোষ্ঠী।এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার নমিত পাঠক নিজে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে আন্দোলনকারীদের গতিবিধির উপর সর্বক্ষণ নজরদারি চালাচ্ছেন। যদিও আত্মসমর্পণকারীদের এই আন্দোলনে যেকোনো সময় পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন অনেকেই।রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ।
আত্মসমর্পণকারীদের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকার বারবার প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু কথা রাখে না। সরকার যদি আমাদের দাবিগুলি মেনে নেয়, তাহলে আজই বনধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
