আগরতলা: মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ বলেছেন রাজ্য সরকার আগরতলা শহরকে মশামুক্ত করতে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ত্রিপুরা বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে আজ একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা। তিনি জানান, আগরতলা পুর নিগমের ড্রেনগুলি সময়ে সময়ে পরিষ্কার করা হয় এবং নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমের পরে, জল প্রবাহিত না হয়ে স্থির থাকে, সেসময় মশা বৃদ্ধি পায়। এখন আগরতলার বেশিরভাগ ড্রেন ঢাকা দেওয়া হয়েছে। যদিও কিছু জায়গা আছে যেখানে আমরা কভার ড্রেন দিতে পারি না।

মশা রোধ করা খুব কঠিন, এমনকি বড় শহরেও আপনারা একই সমস্যা দেখতে পাবেন। তবে আমরা নিয়মিতভাবে বাজার পরিষ্কার, রাস্তা পরিষ্কার, ড্রেন পরিষ্কার করা সহ একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছি। ডাঃ সাহা বলেন যে ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের অধীনে আগরতলা পুর নিগমকে ১০ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যাতে শহরটিকে আরো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং মশামুক্ত করা যায়।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আমাদের পুকুর এবং জলাশয় দরকার, কিন্তু স্থির জলের কারণেও মশা হয়। এমনকি খোলা জলের উৎসেও মশা বাঁচতে পারে। আমরা শুধুমাত্র প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারি। আমরা মেশিন ব্যবহার করে মশার লার্ভা ধ্বংস করার জন্য শহর, ড্রেন এবং হাসপাতালে ক্রমাগত ওষুধ ছিটাচ্ছি। আমরা ফগিং মেশিন ব্যবহার মশা নিধনের উদ্যোগ নিয়েছি। আগরতলা পুর নিগম এলাকায় পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য একটি জনস্বাস্থ্য স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তর বিভিন্ন জায়গায় জমা জল সম্পর্কে সচেতনতা প্রচার চালানোর সাথে সাথে মশারিও বিতরণ করছে।

ডাঃ সাহা আরো জানান, মশা নিয়ন্ত্রণে আমরা লিফলেটও বিতরণ করছি। প্রত্যেককে অবশ্যই তাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। ছোট খালে মশার বংশবৃদ্ধি বন্ধ করতে আমরা গাম্বুসিয়া মাছও ছাড়ার ব্যবস্থা করছি। অনাবৃত নিষ্কাশন ব্যবস্থা আবরণ করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নিবিড় পর্যবেক্ষণ বজায় রাখার জন্য ওয়ার্ড সেক্রেটারি এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টরদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *