আগরতলা: মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ জানিয়েছেন যে, রাজ্যে বন্যা সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার কিছু স্থায়ী পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি তিনি জানান, সরকার সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং প্রত্যেকে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।

এদিন রাজধানীর বিবেকানন্দ স্কুল, বরদোয়ালী ও আশ্রম চৌমুহনীর বিভিন্ন বন্যা দুর্গত এলাকা ও ত্রাণ শিবির পরিদর্শন এবং দুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলার পর একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি শুনেছি খোয়াই ও পশ্চিম জেলায় আচমকা জল ঢুকে পড়েছে। পশ্চিম জেলায় বড়মুড়া পাহাড়ে ভারী বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় জল ঢুকেছে। ২০২৪ সালের আগস্টেও একই ঘটনা ঘটেছিল। জেলাশাসক থেকে শুরু করে সচিব— সবাই কাজ করছেন।

আমি যখন একটি কর্মসূচির জন্য অমরপুরে ছিলাম, তখন ফোনে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলি। হাওড়া নদীর জল বিপদসীমা অতিক্রম করেছিল, তবে এখন ধীরে ধীরে জল কমছে, যা একটি ভালো দিক। বৃষ্টি হচ্ছে না।”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে এবং সবার জন্য খাবার ও শিশুদের খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলা টিম মাঠে রয়েছে। নৌকাও নামানো হয়েছে। আমিও কিছু জায়গা পরিদর্শন করেছি। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৭টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে এবং ৪১৩টি পরিবারের ১,৩০৫ জন মানুষ ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। কীভাবে এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান করা যায়, তা নিয়েও আমি ভাবছি।

বাঁধও নির্মাণ করা হয়েছিল; তবুও আমরা কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কাজ করছি, তবে প্রকৃতির সঙ্গে তো আর প্রতিযোগিতা করা যায় না। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা সতর্ক রয়েছি। এনডিআরএফ (NDRF) টিম রিজার্ভে রাখা হয়েছে। পার্টি কর্মী ও কার্যকর্তা সহ কাউন্সিলররা দিনরাত কাজ করছেন। আমরাও কড়া নজর রাখছি। পশ্চিম জেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিদর্শন কালে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য সরকারের সচিব মিলিন্দ রামটেক, পশ্চিম ত্রিপুরার জেলাশাসক ড. বিশাল কুমার সহ অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকগণ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *