আগরতলা ।। প্রয়াত হলেন প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তাপস দে । তাঁর প্রয়াণে রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক সহ তিপরা মখার প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোত কিশোর দেবর্বমণ, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা সহ অন্যান্য নেতৃত্ত ।
শুক্রবার রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শনিবার সকালে শবদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বিধানসভা ভবনে। সেখানে বিধানসভার অধ্যক্ষ রামপদ জমাতিয়া সহ রাজ্যের মন্ত্রী বিধায়কদের অনেকেই শেষ শ্রদ্ধা জানান। অধ্যক্ষ রামপদ জমাতিয়া , তাপস দে র প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন তিনি সমাজের ভালোর জন্যে কাজ করে গিয়েছেন। প্রয়াতের আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন।
প্রয়াতের পরিবার পরিজনদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তাপস দে ১৯৭২ সালে কংগ্রেসের টিকিটে শালগড়া কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন। জীবনের দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও শেষ সময়ে টিপরা মথায় যোগ দিয়েছিলেন। মথার প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মনের সঙ্গে তার সখ্যতা ছিল। এডিসি এর মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য রুনিয়েল দেববর্মা বলেন তাপস দে রাজ্যের একজন জনপ্রিয় নেতা ছিলেন।
মহারাজের সঙ্গে বরাবর সম্পর্কে ছিলেন। তিনি তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবার পরিজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়ক তাপস দে জীবনের দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা বলেন, ১৯৭২ সালে শালগড়া কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি।
কংগ্রেস দল তার মৃত্যুতে মর্মাহত। তিনি প্রয়াতের পরিবার পরিজনদের প্রতি সমবেদনা জানান। তাপস দে এর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তিপরা মথার প্রাক্তন সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ। ব্যক্তিগতভাবে তাপস দে-কে নিজের প্রথম রাজনৈতিক পথপ্রদর্শক হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর অবদান ও সান্নিধ্যের কথা স্মরণ করেন প্রদ্যোত। এক শোকবার্তায় প্রদ্যোত বলেন, তাপস বাবু আর নেই, জীবন কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তা আমি কল্পনাও করতে পারছি না।
মথার কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে প্রদ্যোত আহ্বান জানান, তাপস দে-কে সম্মান জানাতে দলের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হোক এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হোক। এদিকে প্রয়াত নেতার মরদেহ রাজবাড়িতে ও আগরতলা প্রেস ক্লাবে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজবাড়িতে শেষ শ্রদ্ধা জানান মথার নেতা কর্মীরা। প্রেস ক্লাবে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাজ্যের বিশিষ্ট সাংবাদিকরা।
উপস্থিত ছিলেন আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার , প্রবীণ সম্পাদক সুবল কুমার দে সহ অন্যান্য বিশিষ্ট সাংবাদিকরা।
