আগরতলা।। গোমতী জেলার ১৫ বছরের সেই নাবালিকাকে ব্যাঙ্গালোরে নিয়ে বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন তারই জন্মদাত্রি মা। যেখানে সে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হল, শিশুটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও তাকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যা সম্পূর্ণরূপে আইন বিরুদ্ধ এবং শিশু অধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন।

এই কঠিন পরিস্থিতিতে, গত বছরের জুন মাসে শিশুটি সাহসিকতার সঙ্গে বেঙ্গালুরু থেকে ট্রেনে করে ত্রিপুরায় তার পিতার কাছে ফিরে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের খড়গপুরে রেল স্টেশনে সে পুলিশের নজরে আসে এবং সুরক্ষার স্বার্থে তাকে আটক করা হয় এবং মেদিনীপুর শহরের হোমে রাখা হয়। গত জুন মাসে ত্রিপুরার চাইল্ড লাইন কমিশন এবং গোমতী ডিস্ট্রিক্ট CWC তে আবেদনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ, মেদিনিপুর CWC এবং বেঙ্গালুরুর চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির এর সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করা হয় মেয়েটির সুরক্ষার জন্য এবং ত্রিপুরাতে বাবার কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য।

কিন্তু মেয়েটির মা মিসিং ডায়েরি করার কারণে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মেয়েটিকে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।অবশেষে নাবালিকার বাবার অভিযোগ মূলে ভূমিকা নিল ত্রিপুরার শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশন। কমিশনের চেষ্টায় বেঙ্গালুরু থেকে নাবালিকাকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার আনা হয় রাজ্যে। ঘটনার বিস্তারিত জানান ত্রিপুরা শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন জয়ন্তি দেববর্মা ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *