আগরতলা: বিরোধীরা মহিলাদের বিরুদ্ধে কথা বলে বলেই তারা অধিকাংশ রাজ্যে আসন হারাচ্ছে এবং আগামী দিনে তারা শূন্যে পরিণত হবে, সিপিআইএম হবে ডাবল জিরো।

মঙ্গলবার ত্রিপুরা বিধানসভার এক দিনের বিশেষ অধিবেশনে নারীদের সাংবিধানিক অধিকার, অগ্রগতি, উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নকে সুদৃঢ় করতে প্রস্তাবিত ১৩১তম সংশোধনী বিল ‘নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম’এর সমর্থনে ভাষণ দিতে গিয়ে এ কথা বলেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী রতন লাল নাথ।তিনি বলেন, আজকের অধিবেশন যে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে, তা কেবল একটি প্রস্তাবনা নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব এবং এর নৈতিকতা আমাদের গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।মন্ত্রী বলেন আমরা বিলটি পুনর্বিবেচনার কথা বলছি। এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে, যাতে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে বার্তা দেওয়া যায় যে ত্রিপুরা বিধানসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মহিলাদের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার সুদৃঢ় ও সুরক্ষিত করতেই এই আলোচনা।

যে গণতন্ত্র কখনও মহিলাদেরকে সম্মান দেয় না, সে গণতন্ত্র কখনও সম্পূর্ণ হতে পারে না। সংবিধানে সমান অধিকারের উল্লেখ আছে, কিন্তু আমরা যারা রাজনীতি করছি, তারা কি মহিলাদের তা দিচ্ছি? সেজন্যই আমি বিরোধীদের বলছি, বিলটি গ্রহণ করুন, তারপর দেখুন কী হয় ।তিনি বলেন, সিপিআইএম ও কংগ্রেস যতই ভালো হওয়ার চেষ্টা করুক না কেন, তারা সর্বদা কুকীর্তি করবেই । গোটা দেশ যে স্বপ্ন দেখছে, তা আমাদের পূরণ করতেই হবে। ২০২৩ সালে মহিলা সংরক্ষণ আইন প্রণীত হয়। শুধু আইন করা যথেষ্ট নয়; আমাদের যত দ্রুত সম্ভব তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করতে হবে, এবং সেজন্যই ১৩১তম সংশোধনী বিল উত্থাপিত হয়।

সংখ্যাগরিষ্ঠ বিরোধী দল এর বিরোধিতা করেছে। কিন্তু আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করব, বিলটি পড়ুন।সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী বলেন মহিলাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা ১৩১তম সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করছে, তাদের চিহ্নিত করুন এবং তাদের আসল মুখোশ দেশবাসীর সামনে উন্মোচিত করা হোক। বিরোধীরা মহিলাদের বিরুদ্ধে কথা বলে, সেজন্যই তারা অধিকাংশ রাজ্যে আসন হারাচ্ছে এবং আগামী দিনে তারা শূন্যে পরিণত হবে। সিপিআইএম হবে ডাবল জিরো।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *