আগরতলা:রাজধানীর মহারাজ গঞ্জ বাজারের লাল মাটিয়া এলাকায় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য খুন কান্ডের সফলতা পায় আগরতলা পূর্ব থানার ও মহারাজগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ।এই খুন কাণ্ডের তদন্তে নেমে ধৃত মিঠন সাহা ওরফে মন নামে এক যুবক।

মঙ্গলবার পূর্ব থানার ও সি সুব্রত দেবনাথ সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান,ঝগড়ার জেরে সে খুন করেছে বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তিনি আরো জানান ময়না তদন্তের রিপোর্টেও মৃত ব্যক্তির মাথায় আঘাতের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠে আসে।এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তে নেমে লিটন সাহা ওরফে মন নামে এক ব্যক্তিকে গত ২৭ মার্চ আটক করে।

পুলিশ দেখতে পেয়েছে লিটনের চোখে আঘাত রয়েছে। তার থেকেই পুলিশের সন্দেহ আরো ঘনীভূত হয় এবং লিটনকে গ্রেফতার করে।পুলিশ রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত যথারীতি পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করে। পুলিশ রিমান্ড এর সময় পুলিশের জোর জিজ্ঞাসাবাদে লিটন সাহা প্রথমে বলে সে কৃষ্ণ ভট্টাচার্য কে চেনে না। পরবর্তী সময়ে পুলিশের জোর তৎপরতা ও জিজ্ঞাসা বাদে লিটন বলে কৃষ্ণ ও লিটন দিনের বেলায় জোগালি কাজ করত। কাজ যদি না থাকতো তাহলে তারা ভবঘুরের মতো ঘুরে বেড়াতো। এবং প্রায় সময় তারা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকতো। তারা বাড়ি ঘরে যেত না।

তাদের আশ্রয়স্থল ছিল মহারাজগঞ্জ বাজারের লাল মাটিয়ার বিপুনি বিতান। ২২ মার্চ রাতে যথারীতি লিটন এবং কৃষ্ণ বিপনি বিতানে যায়। সেখানে তারা অন্যান্য দিনের মতো মদ্য পান করে। এরপর তাদের মধ্যে ঝগড়া ঝাঁটি হয়। মারামারি হয়। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় উত্তেজনার বসে লিটন কোদাল দিয়ে কৃষ্ণ ভট্টাচার্যের মাথায় আঘাত করে। লিটন নিজেই এই স্বীকারোক্তি দেয়। এই আঘাতের ফলেই গুরুতর আহত হয়ে কৃষ্ণর মৃত্যু হয়।

একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে লিটনের এই স্বীকারোক্তির বয়ান রেকর্ড করা হয়। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কিভাবে কৃষ্ণকে খুন করেছে তা অভিনয় করে দেখিয়েছে অভিযুক্ত লিটন। মঙ্গলবার তাকে পুনরায় আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে জানালেন ওসি সুব্রত দেবনাথ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *