আগরতলা।।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে বাধ্য রাজ্য। আগরতলা শহরের রাস্তায় আর উন্মুক্ত ভাবে কুকুর দেখা যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে বৈঠকে বসলেন আগরতলা পুর নিগম।পথ কুকুরের কামড়ের ঘটনায় এবার কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে সতর্ক বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট।
কুকুর কাউকে কামড়ে কিংবা কামড়ের জেরে কোন শিশু বা কোন বয়স্ক দের মৃত্যু হলে মোটা অংকের ক্ষতি পূরণ দিতে হতে পারে।এদায়িত্ব রাজ্যের কাঁধেই পড়বে। আদালত আরো বলেন, রাজ্যগুলি পথ কুকুর সমস্যা মোকাবেলায় কোন কাজই করছে না। সেই সঙ্গে সারমেয় প্রেমীদের শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, গোটা বিষয়টি নিয়ে তাদেরও সতর্ক থাকতে হবে। শীর্ষ আদালতের মন্তব্য এক্ষেত্রে দায়িত্ব সারমেয় প্রেমীদেরও শুধু পথ কুকুরদের কথা ভাবলেই চলবে! মানুষের কথাও ভাবতে হবে।
কুকুরদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। রেখে দিন যত্ন করে। কেন তারা বাইরে ঘুরে বেড়াবে? রাস্তা নোংরা করবে? সাধারণ মানুষকে কামড়াবে? কুকুর কামড়ালে তার ক্ষত সারা জীবন থাকে । পথ কুকুর সম্পর্কিত এই রায় রাজ্যেও কার্যকর করা হবে। এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার আগরতলা পুর নিগমের কনফারেন্স হলে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পৌরহিত্ত করেন মেয়র দীপক মজুমদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুর কমিশনার সাজু ওয়াহিদ, প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধিকারিক সহ কর্পোরেটরগণ। আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে পথ কুকুরদের সেল্টার হাউসে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সেখানে তাদের রক্ষণাবেক্ষণ সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা করা হবে । পাশাপাশি পথ কুকুর সম্পর্কে প্রতিটি ওয়ার্ডে সচেতনতা মূলক প্রচার করা হবে। প্রসঙ্গত, পথ কুকুরের কামড়ে প্রায় সময়ই জনগণকে আহত হতে দেখা যায়। সেই ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্ট রায় দান করেছে পথ কুকুরদের রাস্তায় রাখা যাবে না।আদালত তার জন্য সময়সীমা ও বেদে দিয়েছে।সেই দিকে লক্ষ্য রেখে প্রতিটি রাজ্যের পথ কুকুর দের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আগরতলার শহর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মেয়র দীপক মজুমদার।
তিনি আরো বলেন, আগরতলা শহর প্রায় ১২০০ পথ কুকুর রয়েছে।সে গুলিকে সেল্টার হাউসে নিয়ে রক্ষণাবেক্ষণ করা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আজকের বৈঠক বলে আলোচনা করা হয়েছে।তবে যতদূর জানা যায় সহসাই মাঠে নামতে চলেছে আগরতলা পুর নিগম কর্তৃপক্ষ।
