আগরতলা:নরক যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ স্মার্ট সিটি বাসী।পরিকল্পনাহীন স্মার্ট ড্রেনের ফল! একপশলা বৃষ্টিতেই জলমগ্ন শহরের ভি ভি আই পি সড়ক! অনেকেই বলছেন দূর্নীতির ছোয়ায় স্মার্ট সিটির স্মার্ট ড্রেনের অবস্থা এমন।

রাস্তায় ভেঙ্গে পড়লো প্রচার গেট !শিশু উদ্যান সংলগ্ন রাস্তায় অল্পেতে রক্ষা পেল শিশু সহ পথচারীরা। বছরের প্রথম বৃষ্টি। তীব্র হাওয়া আর ঘন কালো মেঘে ঢাকল রাজধানী সহ প্রায় রাজ্যের বিভিন্ন মহকুমা। বছরের প্রথম বৃষ্টিতে ভিজতে শুরু করেছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা।তারই সঙ্গে রাজধানী আগরতলা শহর জুড়েও হয়েছে বৃষ্টি। দুপুরের পর থেকেই আকাশে জমতে থাকে ঘন কালো মেঘ। সঙ্গে বইতে থাকে তীব্র দমকা হওয়া। কিছুক্ষণের মধ্যেই নেমে আসে বছরের প্রথম বৃষ্টি।

হঠাৎ আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে একদিকে যেমন গরমে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে সাধারণ মানুষের। অন্যদিকে, তীব্র হওয়ার কারণে কিছু এলাকায় মানুষের চলাচলেও সামান্য বিঘ্ন ঘটেছে। ঘন মেঘ ,বজ্র গর্জন আর ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে প্রকৃতি যেন নতুন রূপে ধরা দিয়েছে রাজ ধানীর আগরতলা শহরে। কিন্তু বছরের প্রথম বৃষ্টিতে মানুষের স্বস্তি হলেও এবং কৃষির ফলনের উপকার হলেও, প্রশাসনের উদাসীনতা আর পুর নিগমের অসাবধানতার কারণে বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে অল্পতে রক্ষা পেল পথচারীরা।

ভেঙ্গে পড়ল বাঁশের গেট।কালো জলে একাকার শহরের গণরাজ চৌমুহনি এলাকা।নর*ক য*ন্ত্রণায় অতিষ্ঠ স্মার্ট সিটি বাসী।বসন্তের প্রথম বৃষ্টির পরিবর্তে নরক জলে ডুবিয়ে দিয়েছে স্মার্ট সিটির গণ রাজ চৌমুহনী এলাকা। গত কয়েকদিন ধরে শহরে নির্মাণ কাজের কারণে ধুলোয় একাকার বিভিন্ন এলাকা। অপরদিকে বাড়ি থেকে বের হলে আধ ঘন্টার রাস্তা যেতে সময় লাগছে ঘন্টা খানেক। কারণ চারিদিকে অপরিকল্পিতভাবে একসাথে নির্মাণ কাজ শুরু হয় রাস্তা ভাঙ্গা, ড্রেন কাটা অবস্থায় রয়েছে।ফলের যান জট সৃষ্টি হওয়া কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। মুখে মাক্স পরিধান করে শহরে চলাচল করছে পথচারীরা। ইতিমধ্যে বসন্তের প্রথম মুষলধারে বৃষ্টিতে স্মার্ট সিটি গণ রাজ চৌমুহনী এলাকা এক মিনিটের মধ্যে কালো জলে একাকার হয়ে গেছে।

ড্রেনের পুতি দুর্গন্ধময় জল রাস্তার উপরে উঠে যায়। একইসঙ্গে দুর্গন্ধে দম বন্ধ কর অবস্থা হয়ে উঠেছে তিলোত্তমা শহরের গন রাজ চৌমুহনী। পথচারীর কাছে দমবন্ধ কর বললেও ভুল হবেনা। কারণ কোথাও রাস্তার ড্রেইন ভাঙ্গা,আবার কোথাও গর্ত এবং কোথাও কি কাউকে বলতে পারছি না। ঝুঁকি নিয়ে পথ চলাচল করেছেন পথচারীরা। শুধু তাই নয়, মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলছে সেটা প্রকাশ্যে আসলো এই দিনের ঘটনায়। দমকা হাওয়ায় ভেঙে পড়েছে শিশু উদ্যান সংলগ্ন বড় বাঁশের গেইট। আগরতলা শিশু উদ্যানে গত ২৬ শে ফেব্রুয়ারি থেকে তিন দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আজ মার্চের ১৩ তারিখ হলেও সেই গেইট খোলা হয়নি। কতটা কান্ডজ্ঞানহীন হলে ভেন্ডার কর্তৃপক্ষ রাস্তার মধ্যে মর্জি মাফিক বাঁশের গেইট দাঁড় করিয়ে রেখে ছিল। এই বাঁশের গেট ভেঙ্গে পরলো সামান্য বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায়।হুড়মুড়িয়ে রাস্তার মধ্যে ভেঙে পড়ে। সে সময় গেটের নিচে কেউ না থাকায় বড়সড়ো বিপত্তি ঘটেনি। কিন্তু জনবহুল হওয়ায় এলাকাটি সব সময় যানজট থাকে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর সময় কাটাতে মানুষ এই এলাকায় আসে। এই গেট আজ ভেঙ্গে পড়ে। গেট ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেন্ডার কর্তৃপক্ষ এলাকায় এসে বাশ খোলার কাজে হাত লাগায়। এক সচেতন নাগরিক জানান, অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরেও দিনের পর দিন এইভাবে শহরের বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকছে বহু গেইট। মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে।

এগুলি ভেঙে পড়ে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। প্রশাসনের তরফ থেকে নির্দেশ দিচ্ছেনা ভেন্ডার কর্তৃপক্ষকে। যেকোনো সময় গেট ভেঙে পড়ে পথচারী, যানবাহন এবং ছাত্র-ছাত্রীর উপরে পড়ে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। শহরে এভাবে সরকারি বেসরকারি বহু গেইট মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী বিধায়ক থেকে প্রাসাসনিক আধিকারিক গণ গেইটের নিচ দিয়ে যাতায়াত করছে। অথচ অভিজ্ঞতার অভাব নাকি উদাসীনতা।মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে এই ধরনের কাণ্ডজ্ঞানী হীনতা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *