আগরতলা, ১৮ জানুয়ারি:ত্রিপুরা রাজ্যের অন্যতম বনেদি স্কুল হলো বোধজং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। প্রতিবছরের মতো এবারও বোধজং স্কুল এলামনির ১৯ তম পুনর্মিলন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।রবিবার বোধজং স্কুল প্রাঙ্গনে এলামনির পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
এদিন বোধজং এলামনির বাৎসরিক ম্যাগাজিন কালক্রমের ১৯ তম সংকলনের প্রকাশ করা হয়। বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় উৎসাহ প্রদানে যে সকল প্রাক্তনী ও শুভাকাঙ্ক্ষী গণ আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন তাদের সম্মানিত করা হয়। স্কুলের সমস্ত ক্লাসের প্রথম স্থানধিকারীদের মেরিট স্কলারশিপ প্রদান করা,এলামনির নতুন স্কিম বিপিএল অন্তদয় সাহায্য যোজনা সূচনা করা হয়।যার মাধ্যমে বোধজং স্কুলের আর্থিক ভাবে অসচ্ছল পরিবারের ছাত্র- ছাত্রীদের হাতে সারা বছরের জন্য সব ধরনের পড়াশুনা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয় এবং সারাবছর নির্দিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজন ভিত্তিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
সংবাদ মাধ্যমের সামনে এমনটাই জানিয়েছেন এলা মনির এক কর্মকর্তা। তিনি আরো জানান, আর্থিক কারণে কোন ও ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা বন্ধ হতে দেওয়া হবে না এটাই হবে বোধজং এলা মনীর সুস্পষ্ট অঙ্গীকার।এলামনির ১২ মাসে ১৩ পার্বণের মতো সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকে।এর মধ্যে অন্যতম হলো বাংলা বর্ষ উদযাপন।বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বর্তমান কৃতি ছাত্র ও প্রাক্তন শিক্ষক শিক্ষিকা এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত স্কুলের প্রাক্তনী ছাত্রদের সম্মাননা প্রদান, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, বন মহোৎসবের দিনে বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ।
শিক্ষক দিবসে শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্য শিবির, বয়স্ক প্রাক্তনীদের জন্য স্কুলে সম্মাননা অনুষ্ঠান, অনাথ শিশুদের আশ্রম এবং বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের দৈনন্দিন সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।এভাবেই সারা বছরের বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও পরিবারের সদস্যদের বাৎসরিক পূন মিলন উৎসবে শামিল হওয়া এরই এক অঙ্গ। এদিন পূর্ণমিলন উৎসবের মিলন মেলায় প্রাক্তনী ও পরিবার বর্গের জন্য সারাদিনব্যাপী নানা ধরনের আয়োজন করা হয়।
যেমন খেলাধুলা, নাচ গান, অরকেস্টা এবং একসাথে খাওয়া দাওয়া ইত্যাদি। উপস্থিত ছিলেন এলামনির সম্পাদক ভাস্কর সাহা,সভাপতি দিলীপ কুমার পাল, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র তথা সাংবাদিক সুবল কুমার দে সহ অন্যান্যরা।
