আগরতলা: প্রাক্তন মন্ত্রী বিমল সিংহকে স্মরণ করলো সিপিআইএম।মঙ্গলবার ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-এর সদর দপ্তরে প্রয়াত নেতা বিমল সিনহার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান সিপিআই নেতৃত্ব।উপস্থিত ছিলেন সি পি আই এমের রাজ্য নেতা নারায়ন কর,শংকর প্রসাদ দত্ত সহ অন্যান্যরা।

১৯৯৮ সালের ৩১ মার্চ কমলপুরের অভাঙ্গা নদীর তীরে সন্ত্রাস বাদীদের গুলিতে নিহত হন চতুর্থ বামফ্রন্ট সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা সিপিআইএম রাজ্য কমিটির সদস্য বিমল সিনহা ও তার ছোট ভাই বিদ্যুৎ সিনহা। মঙ্গলবার সিপিআইএম রাজ্য কমিটির উদ্যোগে রাজ্যের প্রধান কার্যালয় সহ বিভিন্ন দলীয় অফিসে প্রয়াত ও বিমল সিনহার শহীদান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এদিনের শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানে সি পি আই এমের প্রবীন নেতৃত্ব নারায়ন কর বলেন, সেই সময়তে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদী, উপজাতি গণমুক্তি পরিষদ এবং উপজাতি যুব ফেডারেশনের অনেক নেতা কর্মী শহীদ হয়েছেন।সাম্রাজ্য বাদীর মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীরা উপজাতি এলাকায় সিপিআইএমকে নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়ে সাত বোনের উপজাতি রাজ্য গঠন করার জন্য সন্ত্রাসবাদ কায়েম করে। সেই সন্ত্রাসবাদীদের নৃশংস বলি হলেন বিমল সিনহা ও তার ছোট ভাই।

ধর্মনগর থেকে সাবরুম পর্যন্ত অসংখ্য সিপিআইএম নেতা কর্মী সেই সময় খুন হয়েছিলেন। আবার অনেক নেতা কর্মীকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে সিপিআইএম ত্রিমুখী লড়াই করেছে। একদিকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মতাদর্শগত সংগ্রাম, অন্যদিকে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে ডিএসআর ও প্যারামেলিটারি ফোর্সকে প্রয়োগ করা, অপরদিকে উপজাতি এলাকায় উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাওয়া।

আজকের দিনে বিমল সিনহাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছে সিপিআইএম। তার পাশাপাশি আজও বিদেশের মাটিতে ঘাঁটি করে দেশের মধ্যে সন্ত্রাসবাদীদের বাতাবরণ তৈরি করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন জাতি উপজাতির ঐক্য, উপজাতি এলাকার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সিপিআইএম।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *