আগরতলা: মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ বলেছেন যে ধর্মনগর উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় জনতা পার্টি, যা আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।
আজ ত্রিপুরা বিধানসভায় সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা বলেন, পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচনে জহর চক্রবর্তীকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন করা হয়েছে। তিনি বহু বছর ধরে ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে রয়েছেন। তিনি একজন খুবই সজ্জ্বন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। আমি ২০১৬ সালে যখন পার্টির কাজে ধর্মনগর যেতাম তখন তাঁর মোটর বাইকে বসে অনেক জায়গায় গিয়েছি।
তাঁদের পুরো পরিবারই ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে যুক্ত। পার্টি এমন একজন সজ্জ্বন ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে। ছোট থেকে বড় সকলেই তাঁকে চেনে। আর এটা আমাদের জন্য একটা শুভ লক্ষণ। আমাদের যুব মোর্চা থেকে শুরু করে মহিলা মোর্চা, জেলা ও মন্ডল নেতৃত্ব সকলেই তাঁকে চেনেন। এটা নিশ্চিত যে আসন্ন উপ নির্বাচনে আমাদের ভারতীয় জনতা পার্টির মনোনীত প্রার্থীর অবশ্যই জয় হবে।
মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের কাছে সবগুলি নির্বাচনই যথেষ্ট গুরুত্বের। আমরা সবসময় গুরুত্বের সঙ্গে দেখে থাকি। আমরা এখন অপেক্ষায় আছি যে কবে বিধানসভা শেষ হবে এবং আমাদের দৌড়াদৌড়ি শুরু হবে। ইতিমধ্যে এডিসি নির্বাচনও ঘোষণা হয়ে গেছে। কাজেই দুই জায়গায় যেতে হবে আমাদের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিক নির্দেশনায় আমরা এত কাজ করেছি, মানুষের কল্যাণে উন্নয়নমূলক কাজ করেছি সেসব বিষয় নিয়েই আমরা সকলের কাছে যাবো। ডাঃ সাহা জানান, সিপিএম ধর্মনগরে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং গত বছর সেখানে কংগ্রেস প্রার্থী ছিল।
তিনি বলেন, তবে এবার তারা সমস্যায় পড়েছেন, তাই এখন তারা বুঝতে পারবেন। এটা আমাদের জন্য কোনো সমস্যা হবে না, কারণ আমরা খুব ভালো একজন প্রার্থী দিয়েছি। সেখানে আমাদের প্রার্থীর জয় সুনিশ্চিত।
ভিলেজ কমিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আমরা যেটা চেয়েছি অর্থাৎ নৈতিকভাবে আমাদের জয় হয়েছে। ভিসি নির্বাচন নিয়ে আমরা সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছি যে একসঙ্গে এডিসি ও ভিসি নির্বাচন করলে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। মরশুমের কথা ভেবে পরবর্তী সময়ে আমরা সেপ্টেম্বরের কথা বলেছি।
এরপর সুপ্রিম কোর্ট এফিডেভিট দেওয়ার কথা বলে যে কেন জুনের আগে নয়। কারণ আমাদের রাজ্যে সাধারণত এপ্রিল থেকেই বর্ষার দিন শুরু হয়। পরবর্তীতে জুন জুলাইয়ের কথা বলা হয়। তবে এরমধ্যেও ওই সময়ে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গেলে রিভিউর আবেদন করা যেতে পারে।
