আগরতলা:নিয়োগের দাবিতে ডেপুটেশন স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তার নিকট। রাজ্যের সর্বমোট ১৬০ জন বেকার নার্স রয়েছেন। যারা করোণা কালে চুক্তিবদ্ধ প্রথার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তারা কর্তব্য পালন করেছিলেন।
তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী তাদেরকে সুস্থ করেছিলেন যে ভবিষ্যতে তাদেরকে স্বাস্থ্য দপ্তরে নিয়োগ করা হবে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদেরকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এমনই দাবি তারা করেছেন। সেক্ষেত্রে ২০২১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত স্বাস্থ্য দপ্তরের কোন হেলদোল নেই বলে তারা অভিযোগ তুলেছেন। সোমবার বেকার নার্সদের তরফে স্বাস্থ্য অধিকর্তার নিকট গোটা বিষয় নিয়ে ডেপুটেশন দিতে এসেছেন।
তবে দপ্তরের অধিকর্তার তরফে তাদেরকে আশ্বাস করা হয়েছে, গোটা বিষয়টি প্রামাণ্য দলিলপত্র সহ দপ্তরে প্রেরণ করার জন্য। সেই বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরে নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। চাকুরী প্রার্থীরা বলেন, করোণা কালে সবাই যখন যার যার ঘরে তালা বন্দি। তখন কিন্তু এই ১৬০ জন বেকার নার্সরা তাদের জীবন বাজি রেখে স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশে রোগীদের প্রাণ বাঁচিয়েছেন।
তখন তৎকালীন সরকার আশ্বাস দিয়েছিলেন যারা জীবন বাজি রেখে সেই সময় কর্তব্য পালন করেছিলেন তাদের সরকার নিয়মিতকরণ করবে। বর্তমানে তাদের মধ্যে কেউ রাজ্যের বাইরে চলে গেছে, কেউ আবার রাজ্যের বিভিন্ন বেসরকারি নার্সিং হোমে স্বল্প মজুরিতে কর্মরত রয়েছেন। আবার কেউ কাজ না পেয়ে বেকার হয়ে বসে আছেন।
তারা আরো বলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য কয়েকবার চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা এখনো মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাননি। চাকুরী প্রার্থীরা বলেন তারা আন্দোলনে বিশ্বাসী নয়, কারণ আন্দোলনের মাধ্যমে কোন সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তারা বর্তমান উন্নয়নমূলক রাজ্য সরকারের পক্ষে রয়েছেন। সরকার যেন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এই বেকার নার্সদের নিয়োগ করার ব্যবস্থা করেন। চাকুরী প্রার্থীরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন রাজ্যে সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতাল তৈরি হবে। সেখানে প্রায় ৩৩২ জনের নার্স নিয়োগের তালিকা হচ্ছে।
তাদের দাবি সেখানে এই ১৬০ জন নার্সের নাম তালিকাভুক্ত করা হোক।২০২০ সালে করোণা চলাকালীন যারা জীবন বাজি রেখে মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন।আজ তারা এক বুক হতাশা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আজ তাদের চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন এই ১৬০ জন বেকার নার্স।
এখন দেখার আজকের এই ডেপুটেশন দেওয়ার পর সরকার অথবা স্বাস্থ্য দপ্তর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এই ১৬০ জন দেখার নার্সদের বিষয়ে প্রশাসনিক কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা?
