আগরতলা: প্রজন্ম বাঁচাও কর্মসূচি জারি রেখেছে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন এবং উপজাতি যুব ফেডারেশন।বাম সংগঠনের উদ্যোগে ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে থিম সং এর প্রকাশ হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রজন্ম বাঁচাও কর্মসূচি অঙ্গ হিসেবে রবিবার ড্রপ গেট থেকে টেট মিউজিয়াম পর্যন্ত কর্মসূচি সংঘটিত হয়। ত্রিপুরা রঞ্জিত ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক অরূপ দেববর্মার হাত ধরে এই পদযাত্রার সূচনা হয়।

ড্রপ গেট এলাকায় বিদ্যাসাগরের মর্মর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানিয়ে পদযাত্রাটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে টেস্ট মিউজিয়ামের সামনে বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেন এবং ক্ষুদিরাম বসুর মর্মর মূর্তির সামনে গিয়ে শেষ হয়। ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের রাজ্য কমিটির সম্পাদক নবারুণ দেব জানান, বাম যুব সংগঠন প্রজন্ম বাঁচাও নামে একটি দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিজেপির শাসনে প্রায় আট বছরে পরিকল্পিতভাবে সরকার ও শাসক দল মিলে আজকের প্রজন্ম থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একের পর এক প্রজন্মকে শেষ করে দেওয়ার জন্য যে গভীর ষড়যন্ত্র করছেন, তার হাত থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্যই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এক হচ্ছে স্কুলে শিক্ষক না দিয়ে মেধাকে হত্যা করা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের অন্ধকারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বেকারদের হাতে কাজ না দিয়ে হতাশাগ্রস্থ যারা, তাদের হাতের নেশা তুলে দিয়ে তাদেরকে নেশাগ্রস্ত করছে। তিনি আরো বলেন গোটা রাজ্যে মাকড়সা জালের মত নেশা সাম্রাজ্য বিস্তার করা হয়েছে।

এলাকার সামাজিকতাকে নষ্ট করে দিয়ে মেলা ঘরের নয়ন সাহাকে খুন করা, ধর্মনগরের ডেলিভারি বয় প্রসেনজিৎ সরকারকে খুন করা, ভাগলপুরে চুরির অপবাদ দিয়ে ছয় বছরের একটি শিশুকে এলাকার বিজেপি নেত্রীরা নির্যাতন করেছে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সহ সব দিক থেকে যে ভয়ংকর আক্রমণ নামিয়ে এনেছে বিজেপি নেতৃত্বে, তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন এবং উপজাতি যুব ফেডারেশন রাস্তায় নেমেছে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, দেখা কারবারের সঙ্গে যুক্ত যারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন তারা বিজেপি নেতা, মহিলাদের উপর আক্রমণ করছেন কারা, বিজেপির নেতৃত্ব। উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বাম যুব সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা এই আন্দোলন আর তেজি করবে বলে তিনি জানান,

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *