আগরতলা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। আজ আগরতলার কৃষ্ণনগরে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।
সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ১২ বছরের অসাধারণ যাত্রা সম্পন্ন করেছেন। এই যাত্রা একটা পরিবর্তনের যাত্রা। স্বপ্ন পূরণের যাত্রা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন। নতুন ভারত নির্মাণের একটা যাত্রাপথ এই ১২ বছরে তিনি করে দেখিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, উন্নয়ন, উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা চলে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশকে সারা বিশ্নের মধ্যে এমন একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছেন এখন ভারত সেই সম্মান লাভ করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে একটানা ১২ বছর দেশ শাসন করছেন সেটা ভারতের ইতিহাসে ইতিহাস হয়ে থাকবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি ত্রিপুরা প্রদেশের পক্ষ থেকে সারা দেশবাসীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। ১০ জুন, ২০২৬ দিল্লিতে আমিও ছিলাম। দিন হিসেবে দেখলে ৪৩৯৯ দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সেটা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। এরআগে আমরা অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছি। কিন্তু যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এরমধ্যে অন্যতম একজন।
তিনি দেশের আপামর জনসাধারণের আশা আকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন। এজন্যই প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন। জবাবদিহিতা ও সততার এক অন্যান্য নিদর্শন তিনি। একটা স্বচ্ছতা ও সার্থক সমন্বয়ের সরকার আমরা দেখতে পেয়েছি। নাগরিকদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও উদ্ভাবনের সমন্বয় আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস। স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি জনগণের রায়ে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মানুষের জন্য কাজ করার প্রয়াস আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। ২০১৪ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং প্রশাসনিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য তিনি নিরন্তরভাবে কাজ করছেন। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের উন্নয়নেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
বিশ্বের অনেক দেশ ভারতের সঙ্গে মৌ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে একাধিক সংস্কার হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে আর্থিক শৃঙ্খলা এবং সুশাসন চলে এসেছে। জিএসডিপির অনুপাত সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে। স্টার্ট আপ ইন্ডিয়ার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী উদ্ভাবন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্টার্ট আপ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনীর ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়ন সমাজের অন্তিম স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিজিটাল অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে। ডিজিটাল লেনদেনে বিশ্বের মধ্যে অন্যতম স্থানে রয়েছে ভারত। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও দেশের যুব শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের অবস্থান ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সভাপতি অভিষেক দেবরায়, সহ সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।
