আগরতলা।। সাম্প্রতিক সময়ে গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নারী শক্তি অধিনিয়ম বিল বা মহিলা সংরক্ষণ বিল অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ইতিমধ্যে দেশে যেমন তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন সংগঠিত হয়েছে ঠিক একই রকম ভাবে রাজ্য বিধানসভাতে বিগত ৩০ এপ্রিল মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আজ আগরতলায় অবস্থিত ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের ভবনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সাংবাদিক সম্মেলনে দলের অন্যান্য নেতৃত্বদের পাশে রেখে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ করার প্রচেষ্টাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সমালোচনা করেন।বর্তমান সময়ে বিজেপি পরিচালিত সরকার যে নারী শক্তি বন্ধন অধীনিয়ম বিল নিয়ে বাজার গরম করছে এটা আসলে বিজেপির একটা রাজনৈতিক কোট চাল।
তিনি দাবি করেন ২০২৩ সালে সংসদের উচ্চকক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ উভয় কক্ষেই ধনী ভোটে নারীর সংরক্ষণ বিল পাশ করা হলেও দেশের সরকার কার্যকর করছে না। এর বদলে ডিলিমেন্টেসনের অংশ হিসেবে নারী শক্তিবন্ধন অধীনিয়ম বিল কার্যকরী করে প্রকৃত পক্ষে আগামী পঞ্চাশ বছর কোন না কোন ভাবে শাসন ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে বিজেপি দল এমন অভিযোগ করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা।তিনি বলেন ২০২৩ সালের সেপেম্বরে এই নারী সংরক্ষণ বিল সংসদের উভয় কক্ষে পাস হয়ে গেলেও তার নোটিফিকেশন জারি হয়েছে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ সালে।
এতে করেই বুঝা যায় বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার নারীদের প্রতি কতটুকু আন্তরিক। তা না হলে বিল পাস হওয়ার পরেই সরকার তা কার্যকর করতে পারত। তিনি দাবি করেন মূলত আগামী লোকসভা নির্বাচনে মহিলাদের ভোটকে কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্য সামনে নিয়ে বিজেপি দল তথা নরেন্দ্র মোদি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
পাশাপাশি নিজের দীর্ঘ আলোচনায় আশীষ কুমার সাহা অভিযোগ করেন ২০১৪ সালের পর থেকে ক্রমান্বয়ে এই দেশে আজ যারা মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করছেন তারা বিভিন্নভাবে নারীদের তথা মহিলাদের বঞ্চনা করে চলেছেন।
