সোহানুর রহমান সোহান, বাংলাদেশ :- সম্প্রতিক সময়ে একটি বিষয় ও প্রেক্ষাপট লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বাংলাদেশের পর্যপটন নগরী ভ্রমণ পিপাসুদের আঁতুড় ঘর কক্সবাজার সুমুদ্র সৈকতের পাশে অবৈধ বিচ দখল ও চাঁদাবাজি ইস্যুতে ট্যুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনীক অপপ্রচার অভিযোগ আনা হয়েছে কিছু বর্ণচোরা অখ্যাদ্য পত্রিকায়।কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের প্রেক্ষাপটে ট্যুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে একটি স্থানীয় ভুইঁফোড় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনকে সম্পন্ন কাল্পনিক একপেশে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশ। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে পর্যটন সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়।অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, প্রতিবেদনটিতে তার বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হলেও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ, দাপ্তরিক নথি বা নিরপেক্ষ সূত্র উপস্থাপন করা হয়নি যা সম্পন্ন কাল্পনিক অস্তিত্বহারা একটি প্রতিবেদন। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণের বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি, এটি একটি একপাক্ষিক ও বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা।টুরিস্ট পুলিশ সূত্রে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানীর আগরতলা থেকে বহুল প্রচারিত প্রচীনতম দৈনিক খবর দিনভর পত্রিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি জানতে পারে , সম্প্রতি কক্সবাজারের সৈকত এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিশেষ করে বিজ এলাকায় অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদের পর কিছু প্রভাবশালী মহল অসন্তোষ প্রকাশ করে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ওই মহলের একটি অংশ প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাতে মরিয়া হয়ে উঠে। কক্সবাজার দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হওয়ায় প্রতিবছর লাখো দেশি-বিদেশি পর্যটক এখানে ভ্রমণে আসেন। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশ নিয়মিত টহল, নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে বলে জানানো হয়েছে। টুরিস্ট পুলিশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সৈকতের নির্দিষ্ট অংশ দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা ও অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। সাম্প্রতিক অভিযানে কয়েকজনকে নজরদারিতে আনা হয়েছে।এদিকে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ প্রকাশ করা উচিত। প্রমাণ ছাড়া সংবাদ প্রকাশ জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। যা মহান পেশা সাংবাদিকতা কে প্রশ্নবৃদ্ধ করে তুলে তিনি বলেন, আর্থিক অনিয়মের সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক—আইন সবার জন্য সমান। টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সৈকত দখলমুক্ত রাখা ও পর্যটনবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি প্রকাশিত অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই দিকে এসব মুড়িভাজা মুড়ানো লিফলেট মার্কা পত্রিকায় এমন কাল্পনিক অস্তিত্বহারা সংবাদ দেখে ” ভ্রমণ পিপাসু এক পর্যটক একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম। কিন্তু এক প্রকার অপ-সাংবাদিকতাকে দম্ভ হিসেবে পুঁজি করে এটা নিয়ে এক প্রকার মিথ্যা অহমিকা গল্প কাহিনি শুরু করে কিছু পত্র-পত্রিকা নিজেকে জাহির করে আপদোমস্ত সাংবাদিক হিসাবে সেটাকে সত্যের কলমের সাংবাদিকতা বলে না সাংঘাতিকতা বলে। এই ধরেন অখ্যাত একটি কাল্পনিক পত্রিকার নাম ” সাপ্তাহিক বা দৈনিক আম্বিয়া ” তো সেই পত্রিকার অখাদ্য সম্পাদক মশায় কি করলো তাহার বহুল সমালোচিত পত্রিকায় নাম-দাম ছড়ানোর জন্য পত্রিকার হেড লাইন দিয়ে লিড নিউজ করলো যে” আমার পত্রিকার নাম “দৈনিক আম্বিয়া পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে আমি আজাইরা ঐ পড়ায় ছাগলে বিয়া” এবার লেখাটি দেখে চিন্তা করুন সত্যের কলমের কালিকে অপব্যবহার করে কোথায় নিয়ে গেছে এই পেশাটাকে। যারা পেশাটাকে মূলধারা হিসেবে আকঁড়ে ধরে রেখেছে। এসব ফরমুলা টাউট বাটপারদের কাছে যেন হেরে গিয়েছে মনে হচ্ছে। পত্রিকার নাম দিয়েছে অমুক শহরের সকালে আলো গিয়ে দেখা যায় বারো মাসে সূর্যের মুখ দেখে না। তারা বলে অন্ধকারে আলো ছড়ায় আমরা আলো। দিনশেষে দেখা যায় তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন নিজেরা ঐ। এসব পথভ্রুষ্ট ক লিখতে যাদের কলম ভাবে তারাই দেখা যায় অপরাধে অপরাধে অনিয়মে দিন যায়। আপনাদের নিশ্চই মনে আছে, ৭৪ ‘রে সেই বাসন্তির কথা ” বাসন্তিকে মাছ ধরার জাল পরিয়ে ছবিটা তোলে ফটোগ্রাফার আফতাব আহমেদ। প্রকাশিত হয়েছিলো দৈনিক ইত্তেফাকে। প্রথমে প্রকাশিত হয় ৩১ শে জুলাই ১৯৭৪ বুধবার এবং পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালের ১১-ই সেপ্টেম্বর, বুধবার; ইত্তেফাকের ভেতরের ক্রোড়পত্রে। তৎকালিন ইত্তেফাকের সম্পাদক ছিলো ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। মানিক মিয়া সাহেবের বড় পূত্র।১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের পরিস্থিতি একটা পর্যায়ে বেশ নাজুক ছিলো। পরপর কয়েকটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ, ঝড়-জলোচ্ছাস এবং সেই সাথে দীর্ঘ বন্যা। তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু সরকারের জন্য সেই সময় ছিলো অসম্ভব রকমের চ্যালেঞ্জিং। এমনিতেই সেই পাকিস্তান আমল বা তারও আমল থেকে উত্তর বঙ্গ এলাকায় বছরের দুইটি সুনির্দিষ্ট সময়ে মঙ্গা হতো। এরপর এই ১৯৭৪ এর বন্যা, ঝড়, সাইক্লোন ইত্যাদি। অনেকটা মড়ার উপর খড়ার ঘা। সেই সময়ের সারা বছরের পত্রিকা পড়লেই দেশের পুরো পরিস্থিতি বুঝতে পারা যায়।৭৪-এ যখন বাসন্তী-দুর্গাতিদের ছবি তোলা হয়, তখন ছিল বর্ষাকাল। চারদিকে পানি আর পানি। এমন প্রেক্ষাপটে তিনজন লোক আসেন বাসন্তীদের বাড়িতে। এদের মধ্যে একজন ছিল তৎকালীন স্থানীয় রিলিফ চেয়ারম্যান তার নাম আনছার। অপর দুজনকে রাজো বালা চিনতে পারেনি।বাসন্তী-দুর্গতিদেরকে একটি কলা গাছের ভেলায় করে বাড়ি থেকে বের করা হয়। আর অন্য একটি ভেলায় রেখে তাদের ছবি নেয়া হয়। এ সময় পাশের একটি পাট ক্ষেতে ছিলেন রাজো বালা। ছবি তোলার আগে আগন্তুকরা বাসন্তীদের মুখে কাঁচা পাটের ডগা দিয়ে বলে এগুলো খেতে থাকো। এর বেশি আর কিছু জানাতে পারেননি রাজো বালা।বাসন্তীর কাকা বুদুরাম দাসের কাছে সেই ছবি তোলার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি কাঁচুমাচু করেন। এক পর্যায়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে বর্ণনা করেন সেই ছবি তোলার নেপথ্য কাহিনী আজো যা বিভিন্ন পুস্তকে পাওয়া যায় । শেষ পর্যায়ে ঐ ঘটনাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং প্রতিকার চান।’ আজো এ দেশের মানুষ। তাই অখ্যাত লিফলেট মার্কা পত্রিকাদের চিন্তা করা উচিত এটা ৭৪ নয় ২০২৬ মানুষ আগের থেকে হাজারগুন সচেতন। এখন তারা সবকিছু উপলব্ধি করতে পারেন। তাই বলি,এসবলিফলেট মার্কা পত্রিকা, অখাদ্য সম্পাদক প্রসব করে টাউট, বাটপার, দালাল সাংবাদিকমনগড়া একপেশে সংবাদ পরিবেশ করে বিনষ্ট করতে পারবে না ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মযজ্ঞ! তাই আসুন আমরা সামাজিক সম্প্রতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়। আমাদের বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটননগরী কক্সবাজার টাকে অবৈধ দখলদার টাউট বাটপারদের হাত থেকে আমরা রক্ষা করি।
কিছু দালাল সাংবাদিক মন গড়া একপেশে সংবাদ পরিবেশ করে বিনষ্ট করতে পারবে না ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মযজ্ঞ!
