আগরতলা: আগরতলা পুর নিগমের উদ্যোগে আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে ১১ই জানুয়ারি আগরতলার বিবেকানন্দ ময়দানে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে স্বদেশী মেলা। এই মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন রাজ্যসভার সংসদ সংসদ সাংসদ সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য সহ ক্যাবি নেটের অন্যান্য মন্ত্রী পারিষদ গন।
সোমবার মেয়র দীপক মজুমদার,পুর কমিশনার ডি কে চাকমা, ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, মহকুমা শাসক মানিক লাল দাস,পশ্চিম ত্রিপুরার অতিরিক্ত জেলা শাসক সহ অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিকরা বিবেকানন্দ ময়দানের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। এ বিষয়ে মেয়র বলেন, মোটামুটি ভাবে বিবেকানন্দ ময়দান স্বদেশী মেলার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে।
মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্বদেশী মেলার সার্বিক রূপরেখা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পরিকাঠামো উন্নয়ন, স্টল বণ্টন, বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের ব্যবস্থা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং দর্শনার্থী দের সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।পাশাপাশি, স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠী, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মেয়র দীপক মজুমদার জানান,স্বদেশী মেলার মূল উদ্দেশ্য হলো প্রধানমন্ত্রীর আহবানে দেশীয় শিল্প, হস্তশিল্প ও স্থানীয় উৎপাদকদের পণ্যকে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা এবং ‘ভোকাল ফর লোকাল’ ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করা। তিনি বলেন, “এই মেলা শুধু বাণিজ্যিক উদ্যোগ নয়, এটি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আত্মনির্ভরতার বার্তাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।” প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেলার সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন,মেলা চলাকালীন আইন- শৃঙ্খলা,যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি পরিষেবা প্রস্তুত রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করবে।বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়,মেলাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনা এবং বিভিন্ন থিমভিত্তিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। তাছাড়া রাজ্য মন্ত্রিসভার বিভিন্ন মন্ত্রী, বিভিন্ন দপ্তরের চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য আধিকারিকরা তিন দিনব্যাপী স্বদেশী মেলায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন।এর পাশা পাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রচার- প্রসারের উপরও জোর দেওয়া হবে।
পরিশেষে মেয়র জানান,নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে স্বদেশী মেলাকে একটি সুশৃঙ্খল,নিরাপদ ও সফল আয়োজনে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ শুরু হয়েছে।
