আগরতলা।।সিমনা, মান্দাই, খয়ের পুর বিধানসভা সহ আগরতলা শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন জায়গা থেকে দুই শতাধিক জাতি জনজাতি অংশের বিজেপির কর্মী সমর্থকরা ডেপুটেশন দিল আগরতলার এনসিসি থানায়।

ডেপুটেশনের বিষয়বস্তু ২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দুর্জয় নগরে প্রথমে স্বপন সাহা এবং পরে যুক্ত হওয়া সুপর্ণা দেবনাথ-এর নেতৃত্বে , সি আই টি ইউ নেতা বাবুল সাহা সাহার উপর প্রাণঘাতী হামলা, ডি ওয়াই এফ আই এর নেতৃত্ব রাজেন্দ্র দাসের উপর কয়েকবার প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল। বিধানসভা ভোটের সময় দুর্জয়নগর বুথ কেন্দ্রে বর্তমান নতুন নগর পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান, মন্ডল সদস্য তখনকার কংগ্রেস কর্মী হিসেবে প্রাণঘাতী হামলা শিকার হয়েছিলেন। বিজেপির পুরনো কর্মী চিন্ময় দেবনাথও দুর্জয়নগর ভোটকেন্দ্রের সামনে প্রাণঘাতী হামলার শিকার হয়েছিল।

বিরোধীদল থেকে শুরু করে স্ব-দলীয়দের উপর নানান অত্যাচার নির্যাতন চলে আসছে ২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দুর্জয়নগর এলাকায়। নতুন করে এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়েছে অসাধু কাম মাফিয়া জায়গা ব্যবসায়ী অমিত দেবনাথ, রাজু সাহা, রাজেশ ঘোষরা। অতীতে মাফিয়াচক্র স্বপন সাহা, সুপর্ণা দেবনাথ, বিজন দেবনাথ, শিবু সাহা, রাজু সাহা, সুজিত মন্ডল, নয়ন দাস, অমিত দেবনাথ, দীপক দাস, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষয়ে বহু মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল এনসিসি, এয়ারপোর্ট থানায়।

শেষ মুহূর্তে সম্পত্তি আত্মসাৎ-এর লক্ষ্যে গত ২০২৩ এর চৌঠা নভেম্বর থেকে ২০২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ত্রিপুরার পুরানো রাজনৈতিক নেতৃত্ব দীর্ঘদিন কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হিসেবে সুপরিচিত, পিপলস কংগ্রেস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, বর্তমানে বিজেপি নেতা প্রদীপ চক্রবর্তীকে বারবার পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষভাবে খুনের চেষ্টা এবং সমাজদ্রোহী বানানোর প্রচেষ্টা করেছিল চক্রটি।

শেষ পর্যন্ত ত্রিপুরার বিভিন্ন জায়গার সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীদের চাপে বারবার ক্ষমার মানসিকতা থেকে দূরে এসে প্রদীপ চক্রবর্তী বাধ্য হয়ে এই চক্রটির বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। এই চক্রটিকে গ্রেফতার করে অতি সত্বর আদালতের সোপার্দ করার জন্য আজকের এই ডেপুটেশন।

ডেপুটেশন কারীরা আরো জানিয়েছেন, আগামী দিনে সঠিক বিচারের জন্য মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নানান কর্মসূচি নেওয়া হবে। এই অপরাধীদের যাবতীয় অপরাধের বিষয়গুলো বিস্তারিত ভাবে আগামীদিনে মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *