আগরতলা:সারা দেশের সঙ্গে রবিবার ত্রিপুরায় ও যথাযথ মর্যাদায় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয় প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে। সেদিন কংগ্রেস ভবনে কংগ্রেসের পতাকা উত্তোলন করেন বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়।এবং দলের অন্যান্য সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন সভাপতি গন।

পরবর্তী সময়ে মনীষীদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন উপস্থিত নেতৃত্ব।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়, প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি নীলকমল সাহা, প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সর্বাণী ঘোষ চক্রবর্তী, প্রদেশ সেবা দলের চেয়ারম্যান নিত্য গোপাল রুদ্র পাল সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। পরবর্তী সময়ে গান্ধী ঘাট স্থিত সমাধিস্থলে গিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্ব পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায় জানান, ২৮ ডিসেম্বর জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস।

১৮৮৫ সালে উমেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে প্রথম কংগ্রেসের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেই অধিবেশনে উমেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। কংগ্রেস হলো ভারতবর্ষের রূপকার। বিশ্বের দরবারে ভারত বর্ষকে উন্নত শীল রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরেছে কংগ্রেস। কিন্তু আজকে দেশে যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার চলছে তারা দেশকে সবদিকে অবনতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

কংগ্রেস এক মাত্র দল পুনরায় ভারতবর্ষকে উন্নতির শিকড়ে নিয়ে যেতে পারে।গোটা দেশে বেকারত্বের হার তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাজীব গান্ধী ইন্দিরা গান্ধী ও পন্ডিত জহরলাল নেহেরু দেশের সার্বিক উন্নয়নের সাথে সাথে বেকারদের কর্ম সংস্থানের স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন।বর্তমানে কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী দাবী করেন, নির্বাচন কমিশন নরেন্দ্র মোদির স্থাপন করেছেন।এটা হল মোদি বাদী নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে ভারতবর্ষের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারে না।

নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হলে কংগ্রেসের দাবিকে মান্যতা দিতে হবে।তার জন্য নির্বাচন কমিশনকে নতুনভাবে গঠন করতে হবে। এদিন প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্যোগে সারা রাজ্যেই কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *