আগরতলা।।আগরতলা শহর সৌন্দর্যায়নের নামে বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ চালিয়েছে পুরনিগম। আবার দখলদারদের বক্তব্য তারা ব্যবসা করে কয়টা টাকা রোজগার করে সংসার প্রতিপালন করেন ।

পুর নিগমের উচ্ছেদের পর এখন তারা কোথায় যাবেন। দাবি উঠেছে এর একটা সঠিক সমাধানের রাস্তার। আগরতলা পুর নিগম কিছু দিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। শুক্রবার সকালে অফিসলেন সংলগ্ন অস্থায়ী হোটেলগুলি ভেঙে দেওয়া হয়। পুর নিগমের পক্ষ থেকে অবশ্য আগেই তাদের উচ্ছেদের জন্যে বলা হয়েছিল। তাদের বলা হয়েছিল ত্রিপাল লাগানো যাবে না। ছাতির নিচে ব্যবসা করতে হবে। কিন্তু বেবসায়ীদের বক্তব্য যে হেতু তারা ভাত তরকারি বিক্রি করেন তাই ছাতির নিচে সম্ভব নয়। ত্রিপাল লাগাতেই হবে।

তারা প্রথমে ছিলেন সদর মহকুমাশাসকের অফিসার কাছে। সেখানে ট্রাফিক জ্যাম হয় বলে পুর নিগমের পক্ষ থেকেই তাদের কিছুটা এগিয়ে নিগমের অফিসার উল্টো দিকে বসতে বলা হয়। ৯ জন বেবসায়ী ছিলেন। সকালে তারা বাড়িঘর থেকেই রান্না করে নিয়ে আসতেন। বিকালের মধ্যেই তাদের ব্যবসা শেষ হয়ে যায়। তারাও সব কিছু গুটিয়ে নিয়ে যান।

সাধারণত গরিব মানুষরাই এই অস্থায়ী দোকানগুলিতে ভাত খান। শুধু ত্রিপাল লাগানোর কারণে তাদের অস্থায়ী দোকানগুলি ভেঙে দেওয়া হয়। এখন এই ব্যাবসায়ীরা যেমন সমস্যায় পড়েছেন তেমনি যারা নিয়মিত এই দোকানগুলি থেকে ভাত তরকারি খেতেন তারাও সমস্যায় পড়েছেন। সরকারি কর্মীরা এমনকি আই জি এম হাসপাতালের রোগীর পরিবারের লোকেরা এখান থেকে ভাত নিতেন।

প্রতিদিন এই ব্যবসায়ীরা জায়গার ভাড়া বাবদ একটি সংগঠনকে ৪০ টাকা করে দিতেন। বাৎসরিক চাঁদাও দিতে হতো। অথচ আজ তাদের বিপদের দিনে কাওকে কাছে পাওয়া যায়নি। অবৈধ দখলদারি শহরে একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভেন্ডার লাইসেন্স ছাড়া যে যেভাবে পারছেন ফুটপাথ দখল করে নিচ্ছেন। অনেক স্থায়ী দোকানিরাও ফুটপাথ এমনকি রাস্তাও দখল করে ব্যবসা করছেন।

তাদের বিরুদ্ধে পুর নিগমের উচ্ছেদ অভিযান চালাতেই হয়। ফুটপাথ দখল করে ব্যবসা শহরে একটি বড় সমস্যা। এদিকে ক্ষুদ্র বেবসাহীদের বক্তব্য তাদের উচ্ছেদ করা হলে তারা কোথায় যাবেন।আগে যেন পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়। তাই এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধান দরকার বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *