আগরতলা: পুর নিগমের বিজেপির শাসন ভার পালনের চতুর্থ বর্ষ পূর্তি পালন করা হচ্ছে সাড়ম্বরে। এই চতুর্থ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে পুর নিগমের ৫১ টি ওয়ার্ডেই বিভিন্ন সামাজিক মূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ওয়ার্ড কর্পোরেটর গণ।

তারই অঙ্গ হিসাবে শুক্রবার পুর নিগমের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের অফিস প্রাঙ্গনে ওয়ার্ড এলাকার প্রবীণ নাগরিকদের মধ্যে শীত বস্ত্র প্রদানের মাধ্যমে এই বর্ষপূর্তি পালন কর্মসূচি উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, রামনগর মন্ডলের মণ্ডল সভাপতি অমিতাভ ভট্টাচার্য, ওয়ার্ডের কর্পোরেটর ভাস্বতী দেববর্মা সহ অন্যান্য নাগরিক গণ।

দুঃস্থদের পাশাপাশি প্রবীনদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি আগরতলা পুর নিগমের জনকল্যাণ মুখী কাজ কর্মের নানা দিক তুলে ধরেন মেয়র দীপক মজুমদার। মেয়র বলেন, আগরতলা পুরো নিগমের ৫১ টি ওয়ার্ডে স্বচ্ছ ভারত অভিযান, রক্তদান শিবির, বস্ত্র দান, বৃক্ষরোপণ, নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্ম কাণ্ড সংঘটিত হবে।

তারই অঙ্গ হিসেবে আজ ১৯ নং ওয়ার্ডের কর্পোরেটর ভাস্বতি দেববর্মার উদ্যোগে আজকের এই শীত বস্ত্র দান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।মেয়র আরো বলেন,বিজেপি সরকার ত্রিপুরায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এবং আগরতলা পুর নিগমের বিজেপি শাসন ভার গ্রহণ করার পর নাগরিক পরিষেবা কে স্বাচ্ছন্দ ও সুন্দর পরিবেশে উপহার দেওয়ার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগরতলা শহরকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য স্মার্ট সিটি মিশন এবং নগর উন্নয়ন দপ্তর আগরতলা পৌর নিগমকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে তিনি নাগরিকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান, উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে এবং আরো হবে তবে তাকে সযত্নে রক্ষা করতে হবে নাগরিকদের।পাশা পাশি প্রশাসনের উন্নয়নের কাজে নাগরিকদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। মেয়র একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, শহরকে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ড্রেন গুলিকে পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব পুর নিগম নিয়েছে।

যথারীতি সেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নের কাজ চলছে।কিন্তু শহরের প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষিত নাগরিক তারা তাদের বাড়ির আবর্জনা গুলো ড্রেনে অথবা রাস্তায় ফেলে দিচ্ছেন।কিন্তু পৌর নিগমের তরফে আবর্জনা নেওয়ার গাড়ি এবং সাফাই কর্মীরা রয়েছে।তাদের সঙ্গে এই তথাকথিত শিক্ষিত নাগরিকরা কোনরকম সাহায্য করছেন না বলে তিনি অভিযোগ করেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *