আগরতলা: প্রতি ইংরেজি মাসের শেষ রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মন কি বাত অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দেশবাসীর উদ্দেশ্যে মন কি বাতের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতের মাধ্যমে মানুষ অনেক অজানা বিষয় জানতে পারেন।
আর প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠান রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দেখার ব্যবস্থা করা হয় বিজেপির বিভিন্ন মণ্ডলের তরফে। বিভিন্ন জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে অন্যরা অংশ নেন। এই রবিবার মন কি বাত শুনতে ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি যান রামনগর কেন্দ্রের ১৭ নম্বর বুথে।
এদিন সকালে আখাউড়া রোডস্থিত বর্ডার গোলচক্কর এলাকায় ১৭ নম্বর বুথ এলাকায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বসে ১১৯ তম মন কি বাত শুনলেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক দীপক মজুমদার, যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সুশান্ত দেব, পুর নিগমের কর্পোরেটর মনোজ কান্তি দেবরায়, তুষার কান্তি ভট্টাচার্য, মণ্ডল সভাপতি অমিতাভ ভট্টাচার্য সহ অন্যরা।
মন কি বাত শোনার পরে আলোচনা করতে গিয়ে প্রদেশ বিজেপি সভাপতি বলেন, আগে নেতাদের স্লিপ দিয়ে সরকারি চাকরি হতো। আর বর্তমানে ডাবল ইঞ্জিনের সরকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে মেলা করে বেকারদের মধ্যে অফার বণ্টন করে থাকে। সম্প্রতি স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানেও মেলা করে অফার বিলি করা হয়েছে।তিনি অভিযোগ করেন রাজ্যে ২৫ বছরের বাম শাসনে গরিবদের জন্য কোন কাজ করা হয়নি। কমিউনিস্টরা বরঞ্চ প্রয়াস নিয়েছে গরিবদের আরও কিভাবে গরীব বানানো যায়। কারণ মানুষ গরীব থাকলে সিপিএম-র মিছিলের লাইন আরও লম্বা হবে।
তিনি বলেন, এই জায়গায় বিজেপির মূল মন্ত্র হচ্ছে সবকা সাথ সবকা বিকাশ। রাজীব বাবু বলেন করোনার সময় থেকে রেশনের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৫ কেজি করে চাল বিনামূল্যে দিয়ে আসছে মোদী সরকার।