আগরতলা।।এস আই আর এর মাধ্যমে দেশের নির্বাচন কমিশন বিজেপিকে সুযোগ করে দিচ্ছে। তাই ভোট চোর বিজেপিকে গদি ছাড়তে হবে। এই আওয়াজ তুলে সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও প্রতিবাদ আন্দোলনে নামলো কংগ্রেস। কিন্তু তিন তিন বার তাদের সভাস্থল পরিবর্তন করায় কংগ্রেস নেতৃত্ব পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করেন।
সারা দেশে কংগ্রেস এখন ভোট চোর গদি ছোর স্লোগান তুলে প্রতিবাদ আন্দোলনে নামছে। এই প্রতিবাদ আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ে ত্রিপুরাতেও। দীর্ঘদিন পর এদিন প্রদেশ কংগ্রেসকে ব্যাপক সংখ্যাক কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মাঠে নামতে দেখা যায়। শনিবার প্রদেশ কংগ্রেস ভোট চোর গদি ছোর স্লোগান তুলে মহাকরণ অভিযানে নামে। তাদের এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দিতে আসেন রাজ্যের ইনচার্জ সপ্তগিরি শঙ্কর উলাকা ও ক্রিস্টোফার তিলক। তাদের বক্তব্য বিজেপি ভোট চুরি করে ৭০ থেকে ৮০ টি লোকসভা আসনে জয়ী হয়েছে। নয়তো ক্ষমতায় আসতে পারতো না। নির্বাচন কমিশন তাদের এই কাজে সাহায্য করেছে। ১০ কোটি স্বাক্ষর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে।
এদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা বলেন, এস আই আর মূলত শাসক দলকে সুযোগ করে দিতে নির্বাচন কমিশন বিজেপিকে সাহায্য করতে নগ্ন ভাবে ব্যবহার করছে। ভোট চুরি কোটর যারা জিতেছে তাদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আওয়াজ তুলেছে কংগ্রেস। এরই অঙ্গ হিসাবে কংগ্রেসের এই প্রতিবাদ আন্দোলন।
সারা রাজ্যের মানুষের কাছে বিজেপির ভোট চুরির বিষয়টি প্রচারে নিয়ে যাবে কংগ্রেস। শনিবার বেলা প্রায় ১২ তা নাগাদ আগরতলা প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে কংগ্রেসের মিছিল শুরু হয়।
এ আই সি সি থেকে আগত রাজ্যের ইন্চার্জরা এদিন উপস্থিত থাকায় এই আন্দোলনে সব গোষ্ঠীর নেতাদেরকেই দেখা যায়। পিসিসি সভাপতি আশীষ কুমার সাহা, বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন , বীরজিৎ সিনহা, গোপাল রায়, প্রাক্তন পিসিসি সভাপতি পীযুষ কান্তি বিশ্বাস , প্রদেশ যুব কংগ্রেস সভাপতি নীল কমল সাহা , প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি সুশান্ত চক্রবর্তী সহ অন্যান্নরা। এদিকে মিছিল ধীরে ধীরে এগোতে থাকলে পুলিশ বুদ্ধ মন্দিরের সামনে মিছিলের গতি রোধ করে। সেখানেই তাদের পথ সভা করতে বলা হয়। তখন মেজাজ হারান বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। অভিযোগ তিন তিন বার কংগ্রেসের সভাস্থল বাদলের জন্যে পুলিশের তরফে বলা হয়। তাই বিধায়ক সুদীপ পুলিশের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
যদিও রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন। শেষ পর্যন্ত সার্কিট হাউসের সামনে সভা না করে বুদ্ধ মন্দিরের সামনেই সভা করা হয়। কংগ্রেসের এদিনের এই কর্মসূচিতে ব্যাপক সংখ্যাক কর্মী সমর্থকদের অংশ নিতে দেখা যায়।