আগরতলা:ত্রিপুরা পুলিশের স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ৬০৬৭ পদে নিয়োগের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের কাছে আন্দোলনের সামিল হয় বেকার যুবক-যুবতীরা ও তাদের অভিভাবকরা। ত্রিপুরা পুলিশ চাকরির দাবিতে আন্দোলনে নেমে পুলিশের জালে আটক স্পেশাল এক্সিকিউটিভ চাকুরী প্রার্থীরা।
মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ চাকুরী প্রার্থীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে থেকে চাকুরী প্রত্যাশীরা পুলিশের হাতে আটক। পুলিশ তাদের চ্যাংদোলা করে গাড়িতে করে এ ডি নগর পুলিশ মাঠে নিয়ে যায়। চাকুরী প্রার্থীরা বলেন অনেকদিন ধরে বেকারত্ব জীবন পার করে আসছি। আসলে কি তাদের চাকুরী হবে নাকি ঝুলিয়ে রাখবে সরকার? এটা চাকুরী প্রত্যাশীরা বুঝতে পারছেন না।
বিক্ষোভ কর্মসূচি চলার সময় চাকুরী প্রত্যাশীরা স্লোগান দেন, স্পেশাল এক্সিকিউটিভ পদে আমাদের চাকরি দিতে হবে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পুলিশি হস্তক্ষেপ মানছি না মানবো না। চাকুরী প্রত্যাশীরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিনম্র অনুরোধ করেন অতিসত্বর যেন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ এর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত করে।তাদের প্রশ্ন, প্রায় চার বছর পার হয়ে গেল কিন্তু আর কবে ফলাফল প্রকাশিত হবে? চার বছর ধরে দপ্তরের বহুবার ডেপুটেশন প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু কোন সময়েই তাদের কোন সদুত্তর দেওয়া হয়নি।তারা জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অনেক দপ্তরে চাকুরী দিয়েছেন। কিন্তু ৬০৬৭ জন চাকুরী প্রার্থী স্পেশাল এক্সিকিউটিভ পদে চার বছর আগে ইন্টারভিউ দিয়ে ছিলেন চাকুরী প্রত্যাশীরা। এরই মধ্যে অনেকের চাকুরীর বয়স উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। তারা করুণ আর্তনাদ করে বলেন, আমাদের বৃদ্ধ মা বাবা ভাই বোন রয়েছে। বেকারত্বের কবলে পড়ে যন্ত্রণার মধ্যে জীবন কাটাতে হচ্ছে।
তাই তারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিনীত আবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী যেন অন্তত তাদের সময়ের মর্যাদা দিয়ে অতিসত্বর তাদের স্পেশাল এক্সিকিউটিভ পদে চাকুরীর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন।। এদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ চাকুরী প্রার্থীরা মুখ্যমন্ত্রী সরকারি বাসভবনের সামনে এসে হাজির হন।
