আগরতলা: হাওড়া মার্কেট ভাঙ্গার পর রবিবার হাওড়া মার্কেট পরিদর্শনে গেলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার ও প্রশাসনের আধিকারিকগণ। মেয়র বললেন, এক মাসের মধ্যেই প্রকৃত লাইসেন্স প্রাপ্ত দোকানদারদের ঘর বানিয়ে দেবে পুর নিগম। তিনি বলেন হাওড়া মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুর নিয়মের বৈঠক হয়েছিল।

এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হাওড়া মার্কেটের ব্যবসায়ীরা যেন তাদের নিজ নিজ দোকান ভেঙ্গে নিয়ে যান।তারই অঙ্গ হিসাবে হাওড়া মার্কেটের ব্যবসায়ীরা তারা নিজেরাই তাদের দোকান ভেঙে নিয়ে যান। এই ক্ষেত্রে মেয়র বলেন, অনেকের অভিযোগ ছিল হাওড়া মার্কেটে অবৈধ নেশা বিক্রি হতো,মদ খাওয়ার পরিবেশ ছিল। এবং এখানে অনেকেই পুর নিগমের অনুমতি ছাড়াই বসে ছিলেন। বর্তমানে হাওড়া মার্কেট ড্রেসিং এর কাজ চলছে।মেয়র দীপক মজুমদার হকার উচ্ছেদ নিয়ে বাম এবং কংগ্রেস কে কটাক্ষ করলেন। তিনি বলেন, সিপিএম ধারাবাহিক একটা সস্তা রাজনীতি করে আসছে।

যারা বেআইনি ভাবে ব্যবসা করেন এবং ভেন্ডার লাইসেন্স এর নামে বেআইনি ব্যবসা করছেন তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে দেউলিয়া রাজনীতি করছে সিপিএম। আইনী লোক তাদের সঙ্গে নেই। মেয়র বলেন, উড়ালপুল তৈরি করার সময় শত শত মানুষের বৈধ বাড়িঘর ও হকারদের বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করেছিল সিপিএম। প্রাক্তন নগর উন্নয়ন মন্ত্রী মানিক দে ফাঁকা অফিসে বেআইনি ব্যবসায়ীদের নিয়ে পুর নিগম ঘেরাও করার নামে নাটক করেছেন। তিনি বললেন, মানিক দে’র সামনাসামনি কথা বলার অধিকার নেই।

সিপিএম আগরতলা শহরে কোন পূর্ণবাসন দেয়নি।তারা সরকারের টাকা অপচয় করেছে। দলীয় ফান্ড স্ফীত করার জন্য বিভিন্ন মার্কেট অবৈজ্ঞানিক ভাবে নির্মাণ করেছে। যে মার্কেট গুলি এখন মানুষ ব্যবহার করে না। বামফ্রন্ট সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা অপচয় করেছে। মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহার নেতৃত্বে বিজেপি সরকার, পুর নিগম, স্মার্ট সিটি মিশন, নগর উন্নয়ন দপ্তর ও পূর্ত দফতরের উদ্যোগে আগরতলা শহরবাসীদের সঙ্গে কথা বলে উন্নয়নের কাজ চলছে। দেওর বলেন রবীন্দ্র ভবনের সামনে ভেন্ডিং জোন করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় পার্কিং জোন করা হয়েছে। এখন কেউ যদি পার্কিং জোনে গাড়ি না রেখে অন্য জায়গায় রাখে।

তাহলে সেই গাড়ি পরিবহন দপ্তর এবং ট্রাফিক দপ্তর তুলে নিয়ে যাবে। ভেন্ডার লাইসেন্সের শর্ত মেনে যারা ব্যবসা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে পুর নিগম কোন ব্যবস্থা নেয়নি। কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের সুযোগ সকলকেই করে দিতে হবে। এখন ভেন্ডার লাইসেন্সের নামে কতিপয় নেতা যদি ব্যবসা করার জন্য আগরতলা শহরকে ব্যবহার করে এটা শহরবাসী মেনে নেবে না। শহরবাসীর দাবি সঙ্গে সহমত পোষণ করে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে। যারা দেউলিয়া তারা দলীয় রাজনীতি ভাবে অনেক কথা বলেন। যারা বেআইনিভাবে মত বিক্রি করে, যারা শহরের রাস্তা বেআইনি ভাবে দখল করে রেখেছে।

মানুষের স্বাভাবিক অধিকারকে ক্ষুন্ন করছে। তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে ? ফুটপাত তো তাদের জন্য। যারা অবৈধ ব্যবসা করে তাদের জন্য সিপিএম, কংগ্রেস এবং কিছু ব্যক্তি যারা রাস্তাকে বিক্রি করে তাদের সংসার প্রতিপালন করে। তাদের এখন কষ্ট লাগছে।

সারা শহরবাসী ও রাজ্যবাসী চাইছেন আগরতলা শহরকে সুন্দর পরিচ্ছন্ন করা এবং যানজটমুক্ত করা। সেটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও চেষ্টা করছেন শহরকে সুন্দর করার জন্য।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *