আগরতলা:বিশালগড় থানার ওসি নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে শুরু হয় গাঁজা বাগান ধ্বংস অভিযান।ঘটনা বিশালগড় থানার অন্তর্গত বংশী বাড়ি এডিসি ভিলেজের রঘুনন্দন পাড়া ও জগত রাম পুর এলাকায়।এই সমস্ত এলাকা গুলোতে প্রচুর পরিমাণ গাঁজা লাগিয়েছে চাষিরা।
৭০ টি প্লটের মধ্যে প্রায় তিন লক্ষ প্রি ম্যাচুরিটি গাঁজা গাছ ধ্বংস করা হয়। সিপাহী জলা জেলার এস পি’র নির্দেশে মঙ্গলবার সকালে বিশালগড় থানার পুলিশ, টি এস আর প্রথম ও দ্বাদশ ব্যাটেলিয়ান,বন দপ্তরের মহিলা কর্মী, সিআরপিএফ এবং সাদা পোশাকের পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে গাঁজা বাগান ধ্বংস অভিযান শুরু হয়।সকাল ছয়টা থেকে একাধারে বেলা বারোটা পর্যন্ত চলে গাঁজা বাগান ধ্বংস অভিযান।
সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিশালগড় থানার ওসি বলেন আজকের এই অভিযানে প্রায় তিন লক্ষ অপরিণত গাঁজা গাছ ধ্বংস করা হয়েছে।যার কালো বাজার মূল্য আনু মানিক ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা হবে। বন দপ্তরের ৭০ টি প্লটে ধ্বংস করা হয়েছে তিন লক্ষ অপরিণত গাঁজা গাছ।আগামী দিনেও গাঁজার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।গত দিনেও বিশালগড় থানা এলাকার অভিযান চালিয়ে অনেক গাঁজা গাছ ধ্বংস করা হয়।
গাঁজার বিরুদ্ধে এভাবেই চলতে থাকবে অভিযান।কারণ গাঁজা চাষ অবৈধ।আইনত দণ্ডনীয়।তাই গাঁজা চাষীদের উদ্দেশ্যে বিশালগড় থানার ওসি বার্তা দিয়েছেন গাঁজা চাষীদের_ অবৈধ এই গাজা চাষ থেকে বিরত থাকবার জন্য। যারা গাঁজা চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন আপনারা সতর্ক হয়ে যান।গাঁজা চাষ না করে সবজি এবং ফল চাষ করার জন্য গাঁজা চাষীদের উদ্দেশ্যে আহবান রেখেছেন তিনি।কোন গাঁজা চাষী আটক হলে তার বিরুদ্ধে এন ডি পি এস মামলা হবে বলে ও জানিয়েছেন ওসি।
বিশালগড় থানার ওদিন বিভিন্ন এলাকায় গাজা বাগান চিহ্নিত করে পুলিশের একের পর এক গাঁজা বাগান ধ্বংস অভিযানে গাঁজা চাষীদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে।কেউ বন্ধন থেকে কেউ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে করেছিল এই গাঁজা চাষ। বিশালগড়ে পুলিশের কয়েক দিনের অভিযানে ভেঙ্গে গিয়েছে গাঁজা চাষী এবং গাঁজা বেপারীদের কোমর।
গাঁজা বাগান রক্ষার জন্য গত বছর ঘটিত হয়েছিল গাঁজা সুরক্ষা কমিটি।সেই কমিটি এই বছর কোনভাবেই পুলিশকে ম্যানেজ করতে পারছে না।আর অল্প কিছুদিন সময় হাতে পেলেই ঘরে তুলে নিতে পারত গাঁজা চাষিরা ফসল।কিন্তু এরই মধ্যে ধারাবাহিক ভাবে শুরু হয়েছে পুলিশের অভিযান।
